দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা আসিফ মাহমুদ জানিয়েছেন, গত সাত মাসে তিনি উল্লেখযোগ্য কিছু পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছেন এবং ভবিষ্যতে আরও পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
বেসরকারি টিভি চ্যানেল "দেশ টিভি"-তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আসিফ মাহমুদ বলেন, "আমি মনে করি, বাংলাদেশে ক্ষমতা কাঠামো এমনভাবে কেন্দ্রীভূত রয়েছে যে, শুধু সদিচ্ছা থাকলে অনেক পরিবর্তন সম্ভব। অবশ্যই পলিসি গুরুত্বপূর্ণ, তবে ব্যক্তি সদিচ্ছা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।"
তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে উল্লেখযোগ্য কিছু পরিবর্তন আনার কথা জানান। "যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে আমরা বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছি এবং আরো আনার চেষ্টা করছি। ক্রীড়াকে আমরা সম্পূর্ণরূপে বিরাজনীতিকরণ করার চেষ্টা করছি এবং যাদের স্পোর্টস সেন্ট্রিক মনোভাব রয়েছে, তাদের হাতে ক্রীড়া উন্নয়নের দায়িত্ব অর্পণ করার চেষ্টা করছি," বলেন তিনি।
এছাড়াও, যুবকদের আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে প্রশিক্ষণের জন্য কিছু পলিসি এবং প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। "এআই ট্রেনিংসহ বিভিন্ন আধুনিক প্রশিক্ষণ সেবা দেয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের যুবকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ," বলেন তিনি।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে সরকারের দেওয়া সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার বিষয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, "গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশের অনেক জায়গায় জনপ্রতিনিধি নেই। তাই স্থানীয় জনগণের দৈনন্দিন সেবা যাতে বিঘ্নিত না হয় সেজন্য আমরা কাজ করছি।"
তিনি আরও বলেন, "আমরা স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের সঙ্গে কাজ করছি এবং তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। পাশাপাশি, যারা গণঅভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল, তাদের বিচারের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের কাজকে আমরা সমর্থন করছি।"
এভাবে, আসিফ মাহমুদ তাঁর মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
এফপি/এসএন