নেতিবাচকতা ও জনসমালোচনা কখনোই আমাকে কষ্ট দেয়নি : ধনশ্রী
ছবি : সংগৃহীত
০১:৩৯ পিএম | ২৮ মে, ২০২৫
ভারতের ক্রিকেটার যুজবেন্দ্র চাহাল ও তার সাবেক স্ত্রী নৃত্যশিল্পী ধনশ্রী ভার্মার বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা জল্পনার অবসান ঘটে এ বছরের মার্চে। ২০২০ সালে বিয়ে করেছিলেন এই জুটি, তবে বিয়ের কয়েক বছর পর থেকেই সম্পর্ক নিয়ে সমস্যার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল।
ধনশ্রী জানিয়েছেন বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি একেবারে বদলে গিয়েছেন। বিচ্ছেদের পর যেসব নেতিবাচক মন্তব্য তার দিকে ছোড়া হয়েছে, সেগুলি উপেক্ষা করে এগিয়ে চলেছেন তিনি।
তিনি নিজেকে শক্তিশালী করে তুলছেন যাতে অন্য নারীদেরও অনুপ্রেরণা দিতে পারেন।
টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ধনশ্রী জানিয়েছেন, অনলাইন ট্রোলিং তাকে বিন্দুমাত্র প্রভাবিত করে না, কারণ তিনি নিজেকে ‘ভেতরের শক্তি’ দিয়ে ঘিরে রেখেছেন এবং এমনভাবে নিজেকে গড়ে তুলেছেন যাতে বাইরের আওয়াজ তাকে ছুঁতে না পারে। তিনি বলেন, ‘নেতিবাচকতা ও জনসমালোচনা কখনোই আমাকে কষ্ট দেয়নি।’
ধনশ্রী আরো জানিয়েছেন, তিনি সবসময়ই পরিশ্রমী একজন মানুষ ছিলেন, তবে এখন তিনি নিজেকে আরো ভালোভাবে ভালোবাসতে শিখেছেন এবং জীবনযাত্রা বদলে দিয়েছেন —যাতে থাকে আত্মভালবাসা, অন্তর শক্তি, শৃঙ্খলা, ব্যায়াম, পুষ্টিকর খাবার, এবং এমন মানুষদের সান্নিধ্য যারা তাকে ভালোবাসে ও সম্মান করে।
বিচ্ছেদের পর এই কঠিন সময়ে ধনশ্রী তার আবেগকে প্রকাশ করছেন নৃত্যের মাধ্যমে। তিনি বলেন, ‘আমি চাই মানুষ শক্তিকে নিজের ঢাল ও অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করুক। এই সময় আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে, সবচেয়ে বড় শিক্ষা –আত্মনির্ভরতা।’
তিনি এটাও জানান, তার সম্পর্কে কোনো ভুল ধারণা সংশোধন করতে তার আগ্রহ নেই, কারণ এতে শুধু আরো জল্পনা তৈরি হয়।
ধনশ্রী বলেন, ‘ভালোবাসা জীবনের সবচেয়ে সুন্দর দিক’।
যুজবেন্দ্র চাহাল ও ধনশ্রী ২০২০ সালে বিয়ে করেন। কয়েক বছর পর থেকেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়। বিচ্ছেদের পর ধনশ্রী অনলাইনে ব্যাপক সমালোচনার মুখোমুখি হন, বিশেষ করে এমন প্রতিবেদন প্রকাশের পর যে চাহাল তাকে প্রায় ৫ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দিয়েছেন।
এসএম/টিএ