© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ঈদে সুস্থ থাকতে খাবার গ্রহণে সতর্ক থাকুন

শেয়ার করুন:
ঈদে সুস্থ থাকতে খাবার গ্রহণে সতর্ক থাকুন
feature-desk
০৮:২৯ এএম | ১৩ আগস্ট, ২০১৯

বিশেষজ্ঞদের মতে,  ঈদের আনন্দে সব খাবারই আমাদের খেতে ইচ্ছা করবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে পরিমাণে কম খেতে হবে। আর তেল-চর্বিযুক্ত খাবারের ব্যাপারে সাবধান হতে হবে আগে থেকেই। ঈদের পর ছুটি থাকার সুযোগে আমরা বেশ কয়েকদিন দাওয়াতে যাই। সেখানেও প্রচুর খাওয়া হয়। মাথায় রাখতে হবে, তেল-মশলাযুক্ত খাবার গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই যেন দুধজাতীয় খাবার, মিষ্টি আমরা বেশি না খেয়ে ফেলি।

বছর ঘুরে মুসলমানদের মাঝে ফিরে এসেছে ঈদুল আজহা। এ উপলক্ষে সবার বাসায় নানা ধরনের মুখরোচক খাবারের আয়োজন করা হয়। এই সময় কিছুটা ভালো-মন্দ খাওয়া হবে, এটাই তো স্বাদের নানা আয়োজনে উদরপূর্তিময়। আর কোরবানির ঈদে তো খাবার দাবারের আয়োজন থাকে আরও বেশি।

বিভিন্ন রকমের খাবারের সঙ্গে থাকে গরু, খাসি, মহিষ, এমনকি উটের গোশতও। কিন্তু ‘হাই প্রেশার’, ‘ডায়াবেটিস’, ‘হার্ট প্রবলেম’ এই শব্দগুলো যেন পেছন থেকে হো হো করে তাড়া করতে আসে। তখন, কী আর করা, ‘বেঁচে থাকাটাই আনন্দের’ এমন বুলি আওড়ে পছন্দের খাবারগুলোকে টেবিলে রেখেই ফিরতে হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে,  ঈদের আনন্দে সব খাবারই আমাদের খেতে ইচ্ছা করবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে পরিমাণে কম খেতে হবে। আর তেল-চর্বিযুক্ত খাবারের ব্যাপারে সাবধান হতে হবে আগে থেকেই। ঈদের পর ছুটি থাকার সুযোগে আমরা বেশ কয়েকদিন দাওয়াতে যাই। সেখানেও প্রচুর খাওয়া হয়। মাথায় রাখতে হবে, তেল-মশলাযুক্ত খাবার গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই যেন দুধজাতীয় খাবার, মিষ্টি আমরা বেশি না খেয়ে ফেলি।

ঈদের সময় খাদ্য তালিকায় প্রচুর তেল, চর্বি, মশলার সমন্বয়ে তৈরি খাবারের পাশাপাশি যেন কিছু হালকা ধরনের স্বাস্থ্যসম্মত খাবারও থাকে, সেদিকে নজর দেয়া জরুরি। যেমন- নানারকম ফলের তৈরি ফ্রুট সালাদ, কাস্টার্ড, হাড়ছাড়া মুরগির মাংস ও নানা রকম সবজি।

ঈদের সময়ে সব বাড়িতেই মিষ্টি খাওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে, ওজন বেশি কিংবা ওজন বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে, তাদের মিষ্টি না খাওয়াই ভালো। এক্ষেত্রে মিষ্টির বিকল্প হিসেবে দই খাওয়া যেতে পারে।

প্রত্যেক মানুষের রক্তে নির্দিষ্ট মাত্রায় চর্বি থাকে। এই চর্বির পরিমাণ বেড়ে গেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। রক্তে অতিরিক্ত মাত্রার চর্বি করোনারি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। রক্তে বা শরীরের চর্বি কমানোর সহজ উপায় হলো গরু ও খাসির মাংস কম খাওয়া। তাই এই ঈদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

 মাংস খেয়েও থাকুন ভালো:

যত কিছুই বলা হোক, কোরবানির ঈদে মাংস খাওয়া হবে না তা কি হয়? তাই মাংস খাওয়ার পরও সুস্থ থাকার জন্য বিশেষজ্ঞরা কিছু টিপস দিয়েছেন।

১. চর্বি যথাসম্ভব রান্নার আগেই আলাদা করে ফেলুন।

২. মাংসের ঝোলে অপেক্ষাকৃত বেশি জমা থাকে সব মেদবহনকারী উপাদান। তাই যথাসম্ভব ঝোল পরিহার করুন খাওয়ার সময়।

৩. গরু কিংবা খাসি ভুনা খাওয়ার চেয়ে হালকা তেলে যেকোনো রেসিপি চেখে দেখতে পারেন। সালাদ কিংবা হালকা তেলে ভেজে নেয়া মাংস দিয়েই করুন উদরপূর্তি।

৪. মগজ ও কলিজা যথা সম্ভব পরিহার করুন।

৫. মাংসে বেশি চর্বি থাকলে প্রথমে গরম পানিতে মাংস সেদ্ধ করে নিন, এরপর চর্বি পানিতে গলে গেলে ভালোভাবে ছেঁকে নিয়ে রান্না করুন।

৬. মাংসে টেস্টিং সল্ট, সস এসব উপকরণ ক্ষতিকর দিকটা আরও বাড়িয়ে দেয়। তাই এ বিষয়ে সচেতন থাকুন; চেষ্টা করুন যথাসম্ভব পরিহার করতে।

 

টাইমস/এসআই

 

 

মন্তব্য করুন