“সংসার কত ভয়ানক, কষ্টে না পড়লে বোঝা যায় না”
বাংলা কথাসাহিত্যে যে তিনজন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখিত তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ১৮৯৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর তাঁর মামার বাড়ি কঁচরাপাড়ার কাছাকাছি মুরাতিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
বাংলা কথাসাহিত্যে যে তিনজন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখিত তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ১৮৯৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর তাঁর মামার বাড়ি কঁচরাপাড়ার কাছাকাছি মুরাতিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
মূলত উপন্যাস ও ছোটগল্প লিখে খ্যাতি অর্জন করেন তিনি। তাঁর লেখা ‘পথের পাঁচালী’ ও ‘চাঁদের পাহাড়’ উপন্যাস দুটি আজও সব বাঙালীর মন কাড়ে।
তাঁর লেখা অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে- দৃষ্টিপ্রদীপ, আরণ্যক, ইছামতী, কিন্নরদল, আদর্শ হিন্দু হোটেল ও অশনি সংকেত বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস পথের পাঁচালী অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় সিনেমা বানান। ১৯৫১ সালে ইছামতী উপন্যাসের জন্য বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার রবীন্দ্র পুরস্কার (মরণোত্তর) লাভ করেন।
এই কথাসাহিত্যিক ১৯৫০ সালের ১ নভেম্বর বিহারের (বর্তমানে ঝাড়খন্ড) ঘাটশিলায় মৃত্যুবরণ করেন।
তাঁর একটি বিখ্যাত উক্তি-
“সংসার যে কি ভয়ানক জায়গা, দুঃখে-কষ্টে
না পড়লে বোঝা যায় না।”