ভারতের সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা দীর্ঘদিন ধরেই কেবল গ্ল্যামারের প্রতীক নয়, বরং বলিউডে প্রবেশের এক গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে বিবেচিত। মিস ইন্ডিয়া, মিস ওয়ার্ল্ড ও মিস ইউনিভার্সের বিজয়ীরা প্রায়শই গ্লোবাল স্টেজ থেকে সিনেমার পর্দায় পা রাখেন এবং এককালের আইকনিক অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
মিস ইউনিভার্স ১৯৯৪ সালের সুষমিতা সেন বলিউডে উজ্জ্বল পথচলা শুরু করেন। ‘বিওয়ি নো.১’ ও ‘মেইন হুঁ না’ ছবিতে তিনি দর্শকদের মন জয় করেন। বর্তমানে তিনি ওটিটিতে নতুন চমক দেখাচ্ছেন। একই বছর মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব জয়ী ঐশ্বর্য রাই বচ্চন ‘দেবদাস’ ও ‘জোদ্ধা আকবর’-এর মতো সিনেমায় বলিউড রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেন এবং আন্তর্জাতিক পরিসরেও ভারতীয় চলচ্চিত্রের মুখ হয়ে ওঠেন।
মিস ওয়ার্ল্ড ২০০০ প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস ‘ফ্যাশন’ ও ‘বারফি!’ থেকে শুরু করে হলিউডের ‘কোয়ান্টিকো’-তে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান। মিস ইউনিভার্স ২০০০ লারা দত্ত ‘আন্দাজ’ ও ‘পার্টনার’-এর মতো ছবিতে শক্তিশালী বলিউড অভিষেক দেখান। মিস এশিয়া প্যাসিফিক ২০০০ দিয়া মির্জা ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মেই’-এর মাধ্যমে দর্শকের মন জয় করেন এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
মিস ওয়ার্ল্ড ২০১৭ মানুশী ছিল্লার ডাক্তার থেকে অভিনেত্রী রূপান্তর ঘটে। তিনি ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’-এ অক্ষয় কুমারের বিপরীতে অভিষেক করেন এবং আরও বেশ কিছু প্রজেক্টে কাজ করছেন। মিস ইউনিভার্স ২০২১ হারনাজ সান্ধু এখন বলিউডে প্রবেশের পথে, সাজিদ নাদিয়াডওয়ালা পরিচালিত ‘বাঘি ৪’-এ দেখা যাবে তাকে।
সুষমিতা থেকে হারনাজ পর্যন্ত এই সব রানী প্রমাণ করেছেন যে, সৌন্দর্যের মুকুট ক্ষয় হতে পারে, কিন্তু তাদের চলচ্চিত্রে প্রভাব ও তারকা অবস্থান আরও উজ্জ্বল হয়ে থাকে।
এমকে/এসএন