বিশ্ব পর্যটক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর বনি আমিন সম্প্রতি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি দীর্ঘ পোস্টে ছাত্রশিবির থেকে বহিষ্কারের অভিজ্ঞতা, জামায়াত-শিবিরের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং নিজের ব্যক্তিগত উপলব্ধি তুলে ধরেছেন। পোস্টটি প্রকাশের পরই অনলাইনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
পোস্টে বনি আমিন লেখেন, আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যেই বাংলাদেশে সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে জামায়াত-শিবির। যদিও তার এই ভবিষ্যদ্বাণী অনেকেই সহজে গ্রহণ নাও করতে পারেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। বনি আমিনের মতে, সততা, নীতি ও আদর্শকে আঁকড়ে ধরে যে দল দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায়, শেষ পর্যন্ত বিজয় তাদের হাতেই ধরা দেয়।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ পথচলায় অযোগ্য সদস্য ছাঁটাই, নীতি-ভঙ্গকারীদের বহিষ্কার এবং নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়েই দলটি নিজেদের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে। তার ভাষায়, “জামায়াতে ইসলাম ও ছাত্রশিবির ধীরে ধীরে মানুষের হৃদয়ে নিজেদের জায়গা করে নিচ্ছে।”
বনি আমিন পোস্টে সোজাসাপ্টা স্বীকার করেন যে তিনি নিজে দুর্বল প্রকৃতির মানুষ হওয়ায় ছাত্রশিবিরে থাকলে দলের অগ্রযাত্রায় বাধা সৃষ্টি হতো। তিনি জানান, ১৯৭৮ সালে তাকে ছাত্রশিবির থেকে অঙ্কুরেই বহিষ্কার করা ছিল দলটির জন্য ইতিবাচক সিদ্ধান্ত।
তার ভাষায়, “কোনো সংগঠনের ভেতর অদক্ষ, নীতি না মানা বা চেইন অব কমান্ড ভঙ্গকারী মানুষ থাকা উচিত নয়। নইলে সংগঠন তার লক্ষে এগোতে পারে না।”নিজের বক্তব্য ব্যাখ্যা করতে তিনি ১৯৭০-৭৫ সালের পাঠ্যপুস্তকের ‘দুলকি ও মুলকি ঘোড়ার গল্প’ এর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, যারা সেই গল্প জানেন তারা সহজেই তার পোস্টের মর্ম বুঝতে পারবেন।
পোস্টের শেষে বনি আমিন জানান, সিলেটের বিখ্যাত হোটেল নুরজাহান গ্র্যান্ডের ডিজিটাল বোর্ডে তার ‘স্বাগতম ফটো’ দেখে তিনি বিস্মিত হয়েছেন এবং এজন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এসএস/টিকে