সিঙ্গাপুরে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ১২ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১ বাংলাদেশি রয়েছেন।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) দ্য স্ট্রেইট টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, সিঙ্গাপুরের উডল্যান্ডস এলাকার একটি ডরমিটরিতে পরিচালিত অভিযানে মাদক সম্পর্কিত বিভিন্ন অভিযোগে ১২ অভিবাসী শ্রমিককে গ্রেপ্তার করেছে সেন্ট্রাল নারকোটিকস ব্যুরো (সিএনবি)। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ১১ বাংলাদেশি এবং একজন মিয়ানমার নাগরিক।
সিএনবি জানিয়েছে, তাদের মধ্যে ৩৪ বছর বয়সী এক বাংলাদেশিকে মাদক পাচার ও মাদক সেবনের সন্দেহে আটক করা হয়েছে।
বেশ কয়েকটি সংস্থা যৌথভাবে চার ঘণ্টার এ অভিযানে অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে সিএনবি, হেলথ সায়েন্সেস অথরিটি, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড চেকপয়েন্টস অথরিটি, মিনিস্ট্রি অব ম্যানপাওয়ার এবং পুলিশ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে সংস্থাটির সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযান শুরু করা হয়। অভিযানে একটি রুমে চার অভিবাসী শ্রমিককে হাতকড়া পরিয়ে বসিয়ে রাখতে দেখা যায়। এ সময় কর্মকর্তারা তাদের ব্যাগ, পোশাক, লাগেজ তল্লাশি করেন। পরে পঞ্চম ব্যক্তিকে একই রুমে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এরপর আরেক রুমে কর্মকর্তারা আরেক শ্রমিককে আটক করেন এবং গ্লাস বোতল, কাট স্ট্র, রাবার টিউবসহ সন্দেহজনক মাদক সরঞ্জাম উদ্ধার করেন। অভিযানে তাদের মূল্যবান সামগ্রী স্বচ্ছ ব্যাগে ভরে জব্দ করা হয়। ডরমিটরির অন্য শ্রমিকরা দরজা ও করিডোর থেকে উদ্বেগ নিয়ে ঘটনাটি দেখতে থাকেন। পরে রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে গ্রেপ্তার ১২ জনকে তদন্তের জন্য গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয়।
সিএনবির এনফোর্সমেন্ট জে ডিভিশনের ডেপুটি কমান্ডিং অফিসার সুপারিনটেনডেন্ট জ্যান্থাস টং হিয়েং জি বলেন, মাদক সিঙ্গাপুরের কোনো সম্প্রদায়, কর্মক্ষেত্র বা ডরমিটরিতে স্থান পাবে না। আমরা কঠোর অবস্থান বজায় রাখব।
সংস্থাটির বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৪ সালে মোট তিন হাজার ১১৯ জন মাদক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর ২০২৩ সালে ৩ হাজার ১২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে এ প্রতিবেদনে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জাতীয়তা উল্লেখ করা হয়নি।
এবি/টিকে