জয়ের ভিত গড়ে দেওয়ার কাজটা আগেই সেরে রাখেন পাকিস্তানের বোলাররা। এরপর জয়ের জন্য বাকিটা করতে মোটেও বেগ পেতে হয়নি পাকিস্তানকে। তাতে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে বড় হেসেখেলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলো সালমান আলি আগার দল।
আজ রাওয়ালপিন্ডিতে তিন জাতির টি-টোয়েন্টি সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬ উইকেটে জিতেছে পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামা লঙ্কানরা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ১১৪ রান করে। রান তাড়ায় টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারের কাঁধে চড়ে ৮ বল হাতে রেখেই সহজ জয় তুলে নেয় পাকিস্তান।
পাকিস্তানকে হারিয়েই ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল নিশ্চিত করেছিল শ্রীলঙ্কা। তবে শিরোপার মঞ্চে এসে পাত্তাই পেল না তারা।
১১৪ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়ায় পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন বাবর আজম। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ৩৪ বলে ৩৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন।
সাহিবজাদা ফারহান ও সায়েম আইয়ুবের উদ্বোধনী জুটি থেকে আসে ৪৬ রান। ২২ বলে ২৩ করা ফারহানে ফিরিয়ে ইসহান মালিঙ্গা। ৩৩ বলে ৩৬ করেন ফারহান। আর ১৪ বলে ১৪ আসে অধিনায়ক আগার ব্যাট থেকে।
এর আগে দারুণ শুরুর পর নাটকীয় ব্যাটিং ধসে অল্পতেই গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তানের বোলারদের সম্মিলিত দুর্দান্ত বোলিংয়ে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে লঙ্কাদের ব্যাটিং লাইন আপ। টপ অর্ডারের তিন ব্যাটার ছাড়া দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেনি আর কেউই। ৮৪ রানে দুই উইকেট থেকে আর মাত্র ৩০ রান যোগ করেই সব উইকেট হারায় সফরকারীরা।
দলীয় ২০ রানে পাথুম নিসাঙ্কা ফেরার পর দ্বিতীয় উইকেটে কামিল মিশারা ও কুশল মেন্ডিস দারুণ জুটি গড়েন। তবে শ্রীলঙ্কার ইনিংসে বলার মতো আর কিছুই ছিল না। ৬৪ রানের এই জুটি ভাঙার পরই কি যেন হয় লঙ্কা ব্যাটারদের।
১৮ বলে ১৪ রান করা মেন্ডিসকে ফিরিয়ে শুরুটা করেন মোহাম্মদ নেওয়াজ। এরপর ৪৭ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলা মিশারা আউট হলেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে লঙ্কাদের ইনিংস।
পাকিস্তানের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ নেওয়াজ। আবরার আহমেদের শিকার দু’টি।
ইএ/টিএ