দেখতে দেখতে কতগুলো বছর হয়ে গেল আমাদের বন্ধুত্বের। ভাবতেই পারছি না। যখন কাজ করেছি, তখন বরং আমাদের কোনও বন্ধুত্বই তৈরি হয়নি। তখন দু’জনেই নিজের কাজে ব্যস্ত ছিলাম। তবে ছবির শুটিং শেষ হওয়ার পরে যখন প্রচারপর্ব শুরু হয় তখন আমাদের বন্ধুত্ব গভীর হয়। এখন জিৎ আমার প্রিয় বন্ধু। আমি এখন বেঙ্গালুরুতে থাকি। এখানেও অনেক বার এসেছে ও। আমার স্বামীর সঙ্গেও ওর খুব ভাল বন্ধুত্ব।
২০০২ থেকে ২০২৫— মাঝে ২৩টা বছর কেটে গিয়েছে। আমি এখন দুই সন্তানের মা। জিতেরও একটি ছেলে, একটি মেয়ে। এত কিছু কিন্তু আমাদের সম্পর্কে প্রভাব ফেলেনি। উল্টে মজবুত করেছে সম্পর্ক। এক বার পরিবারের সবাইকে নিয়ে দুর্গাপুজোর সময় কলকাতায় গিয়েছিলাম আমি। আমাদের সবাইকে নেমন্তন্ন করেছিল জিৎ। প্রায় ২০ জন গিয়েছিলাম। কী আপ্যায়ন! এখনও ভুলব না। ও তো এখনও যৌথ পরিবারে থাকে। যেমন ভাল পেশাদার, তেমনই ‘ফ্যামিলি ম্যান’। আর জিৎ জানে বন্ধুত্ব রাখতে। আমার ছেলেমেয়ের খুব প্রিয় মানুষ ও। আমাদের মধ্যে যে উপহার আদান-প্রদানের খুব চল আছে তা নয়। তবে জানি কোনও বিপদে-আপদে সব সময় পাশে পাব জিৎকে।
বহু দিন এই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করিনি। রোজ যে দেখা হয় আমাদের তেমনও নয়। কিন্তু তা বলে যে যোগাযোগ নেই তেমন একেবারেই নয়। বরং নিয়মিত কথা হয়। মাঝে মাঝেই ওকে বলি বেঙ্গালুরু চলে আসতে। আমরা তিরুপতির মন্দিরে একসঙ্গে পুজো দিতেও গিয়েছিলাম। ওর ছেলে একটু বড় হলে দুই পরিবার মিলে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। জন্মদিনে একটাই কামনা, আমার বন্ধু যেন এমনই থাকে। ভগবান ওর সব ইচ্ছা পূরণ করুক এটাই প্রার্থনা করি।
এবি/টিকে