বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরস্থান জিয়ারত করতে দলটির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ আজও বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসছেন। সমাধিস্থলে ফুলের তোড়া দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি দোয়া ও মোনাজাতে মানুষের ঢল নেমেছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল থেকেই জিয়া উদ্যানে আসতে থাকেন নেতাকর্মী ও বিএনপির সমর্থকরা। দুপুর ১২টা পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় নি।
এ দিকে জিয়া উদ্যান ঘিরে সংসদ ভবনের বিপরীতে প্রবেশগেটে র্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনীর উপস্থিতি দেখা গেছে। জিয়া উদ্যানে প্রবেশ মুখে কাচের ব্রিজ পরিষ্কার করতে দেখা গেছে। জিয়া উদ্যানের ভেতরেও পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দেখা গেছে।
এছাড়া বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষদেরও দেখা যায় জিয়া উদ্যানে। তেমনই একজন নিলুফার সুলতানা। থাকেন খামার বাড়ি এলাকায়।
তিনি বলেন, অল্প বয়সে উনার (খালেদা জিয়ার) স্বামী মারা যায়। দুই সন্তানকে নিয়ে সংগ্রাম করেছেন। এরপর গত ১৫ বছরের তিনি যে কষ্ট পেয়েছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন সেটা দেশবাসী দেখেছেন, উদ্যান সংলগ্ন লেকের সিড়িতে বসে বলছিলেন নিলুফার।
সাবেক এই স্কুল শিক্ষিকা বলেন, খালেদা জিয়া এই দেশের মানুষের অভিবাবক ছিলেন। দেশের মানুষও তাকে ভালোবাসতো, খালেদা জিয়ার জানাজায় সেই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হয়েছে।
পঞ্চগড় থেকে এসেছেন বিএনপি নেতা জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু। খালেদা জিয়ার জন্মস্থান থেকে এসেছেন গোলাম গোলাম সরওয়ার মিলন।
কাচ্চু বলেন, শেষবারের মত বেগম জিয়াকে দেখে গেলাম। তার দর্শন সবার জন্য শিক্ষনীয়। আর মিলন জানান, খালেদা জিয়ার জীবন সংগ্রাম ধারণ করে সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টা ৫৮ মিনিটে জিয়া উদ্যান সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
আরআই/টিএ