রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ৪৫ জনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পুলিশের আবেদনের ওপর শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহানের আদালত এই আদেশ দেন বলে জানা গেছে।
কারাগারে যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৮), সৈয়দ আহমেদ শুভ (২৬), মো. শাহজাহান (৩২), অপূর্ব ইসলাম (২২), শরিফুল ইসলাম নিলয় (১৯), মো. জাহিদ হাসান হৃদয় (২৫), মো. শাহেদ ভূঁইয়া (২০), বুলবুল আহমেদ (২৬), দীপক হাজরা (২৬), মো. মান্না হোসেন (২৫), ইয়াছিন আরাফাত অর্ণব (২৫), মো. আশরাফ উদ্দিন (৩০), মো. শাহ জালাল (২৮), মো. শাহিন (২১), মো. নাইম (২১), সাইদুর রহমান (১৯), ইমতিয়াজ আহমেদ হৃদয় (২১), মো. রমজান (১৯), মো. সাব্বির হোসেন (২৪), মো. শাহিন (২৬), মো. তরিকুল ইসলাম রিফাত (১৯), মো. মঈন হোসেন রাজন (২২), মো. অনিক হোসেন (২৭), মো. তরিকুল ইসলাম (২৪), মো. রিফাত হোসেন (২৩), মো. হানিফ মিয়া (২৫), মো. শাহাদাৎ হোসেন রাব্বি (৩২), মো. সোহানুল হক (২৪), মো. তারেক আজিজ (২৮), মো. সাজ্জাদ ইসলাম (১৯), মো. শিপন (২৩), মো. এজাজ হোসেন সিয়াম (২৪), মো. উনায়েস ইমরান (২৪), মো. মনিব আক্তার (২৫), মো. হারিজ (২৮), মো. সাব্বির হোসেন বিজয় (২২), এস এম মতিউর রহমান (৪৮), মো. রাজন শেখ (৩১), মো. আবু সাদিক রাকিব (২৯), মো. মামুন ব্যাপারী (২৪), মো. মজিবুর রহমান (৩২), মো. সালাহ উদ্দিন ব্যাপারী (৪০), মো. আমিনুল ইসলাম নাঈম (২৫), মো. রাকিবুল হাসান রাকিব (২৩) এবং মো. আব্দুল্লাহ সবুজ (৩১)।
ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম রাসেল গণমাধ্যমকে বলেন, আজ বেলা দুইটার পর আসামিদের আদালতের হাজতখানায় আনা হয়। বেলা তিনটার পর তাদের আদালতে তোলা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শামসুজ্জোহা সরকার আসামিদের কারাগারে রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আসামিদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা ক্ষতিসাধনের কথা স্বীকার করেছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সঠিক নাম, ঠিকানা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
আবেদনে আরও বলা হয়, এ ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত মদদদাতাদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ চলছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে। আসামিদের বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন করা হতে পারে। তারা জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হওয়াসহ মামলার তদন্তে ব্যাঘাত ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
আইকে/টিকে