গত ২৬ ডিসেম্বর মাঠে গড়িয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসর। কিন্তু মারকাটারি এই টুর্নামেন্ট চলাকালেই চট্টগ্রাম ভেন্যুর ম্যাচগুলো সিলেট ও ঢাকায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যার কারণ ব্যাখ্যাও করেছে দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে বিসিবি জানিয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তার জানাজার জন্য সরকার কর্তৃক ঘোষিত সাধারণ ছুটি ঘোষণায় গত ৩০ ডিসেম্বর সিলেটে দুটি নির্ধারিত ম্যাচ স্থগিত করা হয়। দলগুলোর ভ্রমণ ও ঠাঁসা সূচির কথা মাথায় রেখে এমন সমন্বয় করা হয়েছে।
বিসিবি আরও জানায়, ‘স্থগিত হওয়া ম্যাচগুলো আয়োজনের জন্য সম্ভাব্য সকল বিকল্প খুঁজে বের করতে দীর্ঘ আলোচনা করেছে বিসিবি এবং বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। তবে, শেষ পর্যন্ত এটি করা কার্যত সম্ভব ছিল না। আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ দলের আগের থেকেই তারিখ নির্ধারিত থাকার কারণে বিপিএলের এবারের আসর ২৪ জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে সম্প্রচারক এবং লজিস্টিক অংশীদারসহ মূল স্টেকহোল্ডারদের সাথেও আলোচনা করেছে বিসিবি। সতর্কতার সাথে বিবেচনার পর, এই পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের জন্য নির্ধারিত ম্যাচগুলো সিলেট এবং ঢাকায় স্থানান্তর করাই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান বলে ভেবেছে।
বিসিবি বলেছে, ‘চট্টগ্রামের স্থানীয় আয়োজক এবং ক্রিকেট সমর্থকদের হতাশা অনুধাবনে সক্ষম বোর্ড। তাদের প্রতি বিসিবি বিনীতভাবে অনুরোধ হচ্ছে- এটি ছিল একটি অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি এবং ক্রিকেটের সামগ্রিক স্বার্থ এবং বিপিএলের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’
তবে বিসিবি আয়োজক এবং চট্টগ্রামের ক্রিকেটপ্রেমীদের আশ্বন্ত করেছে যে, বিপিএলের আসন্ন আসরসহ ভবিষ্যতের সকল আন্তর্জাতিক এবং ঘরোয়া ক্রিকেট ইভেন্টের জন্য চট্টগ্রামকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
আরআই/টিএ