দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর কাপুরের প্রেমের সম্পর্ক ও বিচ্ছেদ বলিউডের আলোচিত বিষয়ের মধ্যে অন্যতম। বেশিরভাগ তারকাকে বিচ্ছেদের পর পর্দায় এক সাথে দেখা যায় না। তবে ব্রেকআপের পরও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে ছবি করেছিলেন রণবীর- দীপিকা।
ব্রেকআপের পর প্রথমবার একসঙ্গে ‘ইয়ে জাওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ ছবিতে অভিনয় করেন দীপিকা পাড়কোন ও রণবীর কাপুর। বহু বছর পর ছবিটির শ্যুটিং সেটে রণবীর-দীপিকার একে অপরের প্রতি ব্যবহার নিয়ে মুখ খুললেন সহ-অভিনেতা নাভিন কৌশিক।
ব্রেকআপের পর প্রথমবার একসঙ্গে ‘ইয়ে জাওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ তে অভিনয় করেন দীপিকা পাড়কোন ও রণবীর কাপুর
এক সাক্ষাৎকারে নাভিন কৌশিক জানান, ‘ছবির শ্যুটিং চলাকালীন রণবীর ও দীপিকার আচরণ ছিল সম্পূর্ণ পেশাদার। আমরাও সবার মতোই ভেবেছিলাম যেকোনো সময় হয়তো ঝগড়া লেগে যেতে পারে।’
মজার ছলে অভিনেতা বলেন, ‘এমনকি মনে মনে অপেক্ষাও করছিলাম কিছু হলে অন্তত গসিপ করার মতো বিষয় থাকবে। কিন্তু বাস্তবে তেমন কিছুই ঘটেনি। দু’জনই সেটে ভীষণ পেশাদার ছিলেন।’
শ্যুটিংয়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নাভিন আরও বলেন, ‘আমাদের শ্যুটিং এর সময়টা ছিল খুবই কষ্টকর। দীর্ঘ সময় কাজ করার জন্য নয় বরং লোকেশনের কারণে। খুব খাড়া পাহাড়ে শুট করতে হয়েছে, কখনও সোজা প্রায় দশ ফুট উপরে উঠে সেখানে দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। তবু এত কষ্টের মাঝেও ছবির পুরো টিমের সঙ্গে মাঝেমধ্যে পার্টি হতো। সবাই খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ ছিলেন।’
‘ইয়ে জাওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’
রণবীর ও দীপিকার সম্পর্ক নিয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘তাদের মধ্যে কোনো রোমান্টিক টান বা হিংসার কিছুই দেখা যায়নি। কোনো রকম স্পার্ক বা অস্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়নি। তারা দুজনেই টিমের সবার সাথে খুব আন্তরিক ছিলেন। সকলের সাথে মজা করতেন।’
আয়ান মুখার্জি পরিচালিত এবং করণ জোহরের প্রযোজনায় ‘ইয়ে জাওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ ছিল রণবীর কাপুর ও দীপিকা পাড়ুকোনের দ্বিতীয় ছবি। এর আগে তারা একসঙ্গে কাজ করেন ‘বাচনা অ্যায় হাসিনো’ ছবিতে যেখানে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
শুধু ‘ইয়ে জাওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ নয়, ব্রেকআপের পর তামাশা ছবিতেও তাদের দুর্দান্ত অভিনয় দাগ কাটে সিনেমাপ্রেমীর মনে।
‘ইয়ে জাওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ ছবিতে আরও অভিনয় করেন কাল্কি কোয়েচলিন ও আদিত্য রয় কাপুর। মুক্তির পর ছবিটি সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ানোর পাশাপাশি বক্স অফিসেও ব্যাপক সাফল্য পায়। বিশ্বজুড়ে ছবিটির মোট আয় ছিল প্রায় ৩১৮ কোটি টাকা।
এমকে/টিএ