নাসিরকে ১৯ তম ওভারে বল দেওয়া মিঠুনের ‘জীবনের অন্যতম বড় ভুল’

১৮ ওভার শেষে সিলেট টাইটান্সের স্কোর ১৩৫ রান। তাদের দেড়শ রান হওয়া নিয়ে শঙ্কা। কিন্তু মঈন আলী ১৯তম ওভারে তিন ছয় ও দুই চারে নিলেন ২৮ রান। বোলিংয়ে ছিলেন নাসির হোসেন। গতকাল বিপিএলের ম্যাচে ২০ রানে হারের পর ঢাকা ক্যাপিটালস সেই ওভারের জন্য আক্ষেপে পুড়ল। হারের পর অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন আফসোস নিয়ে বললেন, নাসিরকে সেই ওভার করতে দেওয়াই হয়েছে সবচেয়ে বড় ভুল।

মিঠুন কোনো রাখঢাক না রেখেই বললেন, ‘এটা (নাসিরকে ১৯তম ওভারে আনা) আমার জীবনের অন্যতম বড় ভুল। এর আগে নাসির ৩ ওভারে ৭ রান দিয়েছে। মঈন ভাই উইকেটে আসে, আমি ভেবেছিলাম বল গ্রিপ করবে বা আমি ভেবেছিলাম নাসির মঈন ভাইকে আটকাতে পারবে। সফল হলে তো ভালো হত। একইসাথে ওই সময় নাসিরকে বলে আনাটা ঠিক হয়নি। এটা আমার ভুল হয়েছে। যেহেতু আমার হাতে অপশন ছিল অন্য অপশন কাজে লাগাতে পারতাম।’



নাসির প্রথম তিন ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়ে মিঠুনের ভরসা হয়ে উঠেছিলেন। তাই তাসকিন আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ওভার বাকি থাকলেও তার হাতে বল তুলে দেন। কিন্তু আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি নাসির।  

শেষ ওভারে আরও দুটি ছক্কা মারে সিলেট, রান হয় ১৮০। এই রান তাড়া করার মত ছিল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মিঠুন বলেন, ‘আসলে যেভাবে শুরু হয়েছিল ১৮০ রান তাড়া করার মত অবস্থা ছিল। মাঝের ওভারে তারা অনেক ভালো বল করেছে। তারা উইকেটকে ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছে প্ল্যান অনুযায়ী। আমরা মিডল ওভারে শিশির পড়লে যেভাবে বল ব্যাটে আসে, আজকে ১৫তম ওভারে মঈন আলী আসার পর বড় বড় টার্ন করছিল। রানটা একটু বেশি হয়ে গেছে, এই রান ১৮০ হওয়া উচিত ছিল না। অনেক হতাশাজনক।’ 

১৬০ রানে থামা ঢাকার পারফরম্যান্স নিয়ে অধিনায়ক বলেছেন, ‘একটা ম্যাচ বাদে বাকি সব ম্যাচই ফাইট করেছি। শেষে স্লগ ওভারে ছোট ছোট ভুল হয়ে যাচ্ছে। যেটা ১৪০ রানে আটকানোর কথা সেখানে ১৬০ রানে নিয়ে যাচ্ছি। ডেথ ওভার নিয়ে আমরা বোলারদের সাথে কথা বলছি। বোলারদেরকে সেখানে ক্লিয়ার মাইন্ড থাকতে, এক্সিকিউশন করাটা অনেক জরুরি। ছোট ছোট অনেক ভুল আমরা করছি যা না হলে আরও ভালো জায়গায় থাকতাম।’ 

এমআই/এসএন

Share this news on:

সর্বশেষ

img
বিএনপিতে যোগ দিলেন আ. লীগ-যুবশক্তি-বিজেপির ৩ শতাধিক নেতাকর্মী Jan 10, 2026
img
বাবার মৃত্যুবার্ষিকীতে কবর জিয়ারত করলেন জোনায়েদ সাকি Jan 10, 2026
img
কিশোরগঞ্জে হোটেলের লিফটে বরসহ আটকা ১০, ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার Jan 10, 2026
img
মাহফিলের টাকার হিসাব নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রাণ গেল যুবদল কর্মীর Jan 10, 2026
img
নোয়াখালীতে বিএনপি ও এনসিপির সংঘর্ষ, আহত ১৫ Jan 10, 2026
img
কুয়েতে বাংলাদেশিসহ তিন প্রবাসীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Jan 10, 2026
img
বিয়েবাড়িতে উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে তুমুল সংঘর্ষ Jan 10, 2026
img
ইরানে বিক্ষোভ দমনে শক্তি প্রয়োগের ইঙ্গিত ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের Jan 10, 2026
img
বিএনপির আবদুল আউয়াল মিন্টুর প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন জামায়াত প্রার্থীর Jan 10, 2026
img
পিএসএলে যুক্ত হচ্ছে হায়দরাবাদ! Jan 10, 2026
img
বিসিবি মঙ্গলগ্রহে পাঠালে সেখানে গিয়েও খেলবে বাংলাদেশ! Jan 10, 2026
img
ভোলায় বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত ২০ Jan 10, 2026
img
নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত Jan 09, 2026
img
তারেক রহমানের সঙ্গে তিন দেশের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Jan 09, 2026
img
বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের প্রতীক : আমানউল্লাহ আমান Jan 09, 2026
img
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে ভারত সরকারের মন্তব্য Jan 09, 2026
img
ভেনেজুয়েলার তেল কেনায় মার্কিন অনুমতি পেতে আলোচনায় ভারতীয় কম্পানি Jan 09, 2026
img
ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল চিকিৎসকের Jan 09, 2026
img
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে পুলিশের দুই সদস্য বরখাস্ত Jan 09, 2026
img
ট্রাম্পের ‘পতনের’ ভবিষ্যদ্বাণী করলেন খামেনি Jan 09, 2026