আসন্ন বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘টক্সিক: অ্যা ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন আপস’-এ একেবারে নতুন রূপে ধরা দিতে চলেছেন রুক্মিণী বসন্ত। যশ অভিনীত এই ছবিতে ‘মেলিসা’ চরিত্রে তাঁর উপস্থিতি ইতিমধ্যেই দর্শকদের কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে। সদ্য প্রকাশিত চরিত্র পোস্টারে রুক্মিণীকে দেখা যাচ্ছে এক অদ্ভুত শান্ত অথচ গভীর আবহে চারপাশের অস্থিরতার মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা এক স্থির সত্তা, যাঁর চোখে মুখে লুকিয়ে আছে না-বলা বহু গল্প।
ষাটের দশকের এক জমকালো পার্টির পটভূমিতে মেলিসার উপস্থিতি যেন আলাদা করে নজর কাড়ে। যেখানে চারদিকে হৈচৈ, উচ্ছ্বাস আর চমকের ছড়াছড়ি, সেখানে মেলিসা নীরব, পর্যবেক্ষণপ্রবণ ও সংযত। এই চরিত্রের শক্তি বাহ্যিক প্রদর্শনে নয়, বরং সূক্ষ্ম অনুভূতি আর নিয়ন্ত্রিত আবেগে। ছবির কাহিনিতে তিনি যে অন্যতম গভীর ও স্তরবহুল চরিত্র হতে চলেছেন, সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট।
পরিচালক গীতু মোহন্দাস রুক্মিণীর অভিনয় নিয়ে জানিয়েছেন, তিনি শব্দের মতোই নীরবতাকে ব্যবহার করেন। ক্যামেরার সামনে যেমন চরিত্রে থাকেন, তেমনই ক্যামেরার বাইরে গিয়েও সেই চরিত্রকে বাঁচিয়ে রাখেন। তাঁর চোখ, দৃষ্টি আর নীরব উপস্থিতিই অনেক সময় সংলাপের চেয়েও বেশি কথা বলে।
এই ছবিতে রুক্মিণীর সঙ্গে রয়েছেন কিয়ারা আডবাণী, হুমা কুরেশি, নয়নতারা ও তারা সুতারিয়ার মতো শক্তিশালী অভিনেত্রীরা। এমন তারকাবহুল অভিনয়শিল্পীদের ভিড়েও মেলিসা চরিত্রে রুক্মিণীর সংযত উপস্থিতি ছবিতে এক আলাদা ভারসাম্য এনে দেবে বলেই মনে করছেন অনেকে।
কন্নড় ও ইংরেজি ভাষায় নির্মিত এই ছবিটি মুক্তি পাবে আগামী উনিশ মার্চ দুই হাজার ছাব্বিশ সালে। বিভিন্ন ভাষায় ডাব সংস্করণও মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে। চেনা ছকের বাইরে দাঁড়িয়ে এক ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা উপহার দিতে চলেছে ‘টক্সিক’। আর সেই ঝলমলে দুনিয়ার মাঝখানে মেলিসার নীরব উপস্থিতিই হয়তো হয়ে উঠবে ছবির সবচেয়ে বড় চমক।
পিআর/এসএন