বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) গত আসরে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছিল। যে কারণে এবারের আসরে বিসিবির অ্যান্টি করাপশন ইউনিট (আকু) বেশ তৎপর। তবে হুট করে খেলোয়াড়ের রুমে ঢুকে পড়া, ব্যাটিং করতে নামার আগে ক্রিকেটারদের জেরার মুখে ফেলা—এসব বিষয় নিয়ে শুরু হয়েছে নানা সমালোচনা।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ঢাকা ক্যাপিটালসের আফগান ব্যাটার রহমানউল্লাহ গুরবাজের রুমে ঢুকে পড়ে অ্যান্টি করাপশনের সদস্যরা। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। এ নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ হয়েছেন এই আফগান ব্যাটার। শুধু তাই নয়, তার দলও ব্যাপারটা ভালোভাবে নেয়নি। কিন্তু বিসিবির পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু জানিয়েছেন, তারা তাদের গাইড লাইন মেনেই কাজ করছে।
এ বিষয়ে ঢাকা ক্যাপিটালস অভিযোগও করেছেন। মিঠু বলেন, ‘অ্যান্টি করাপশনের সাথে আইসিসিরও লোক আছে, তারা তাদের গাইড লাইন মেনেই কাজ করছে। বিশ্বকাপ কিংবা অন্যান্য ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে যেভাবে হয়, এখানেও সেভাবেই হচ্ছে। অ্যান্টি করাপশন ইউনিট কঠোর আছি বলেই ফিক্সিং কমে গেছে।
মিঠু জানিয়েছেন, আগামী ১৫ তারিখের পর ব্রিফ করবে অ্যান্টি করাপশন ইউনিট। ‘১৫ তারিখে পরে অ্যান্টি করাপশন ইউনিট ব্রিফিং করবে। তবে আমার মতে এমনি এমনি তো কারো ফোন জব্দ করবে না, এটা মনিটরিংয়ের অংশ। আমার ফোনও যে-কোনো সময় চাইতে পারে।’
রহমানউল্লাহ গুরবাজের ইস্যুতে মিঠু বলেন, ‘আমিও জানি না কি অভিযোগ আছে, কিন্তু আমি এটা বলতে পারি অ্যান্টি করাপশন ইউনিট তাদের যা যা গাইড লাইন আছে, কতটুকু সীমাবদ্ধতা আছে সেটা মেনেই কাজ করছে।’
বিপিএলের মাঝপথেই পাকিস্তান চলে গেছেন পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মদ আমির। তার বিষয়ে মিঠু বলেন, ‘সিলেট ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছে চুক্তির কাগজ চেয়েছি, কিভাবে আমিরের সাথে চুক্তি হয়েছে। তবে সিলেট ফ্র্যাঞ্চাইজি আমাদের নিশ্চিত করেছে তারা ৭৫ শতাংশ টাকা পরিশোধ করেছে। টিম কম্বিনেশনের কারণে তারা আমিরকে কন্টিনিউ করেনি। এখন আমরা কাগজপত্র দেখবো। আর আমাদের কাছে তো তাদের সিকিউরিটি মানি আছে, অতএব আমিরের চিন্তা করার কিছু নাই, চুক্তি দেখে সে যেটা প্রাপ্য সেটা পাবেই।’
এসকে/টিকে