ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি এখনও মাস পাঁচেক বাকি। কিন্তু এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে 'দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ' খ্যাত এই আসরের উন্মাদনা। বিশ্বভ্রমণের অংশ হিসেবে বিশ্বকাপের সোনালি এই ট্রফি আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে ভারত হয়ে এখন বাংলাদেশে এসে পৌছেছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় রাজধানী ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফিটি এসে পৌঁছায়। সেখানেই জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কর্মকর্তারা এ ট্রফি-বরণ করে নেন।
এই নিয়ে চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশে পা রাখল বিশ্বকাপের ট্রফিটি। এর আগে, ২০০২, ২০১৩ ও ২০২২ সালে ট্রফি বাংলাদেশে এসেছিল। এ সফরে ফিফার প্রতিনিধি হয়ে এসেছেন ব্রাজিলের ২০০২ সালে জাপান-কোরিয়া বিশ্বকাপ জয়ী দলের মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা।
বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ট্রফি সামনে থেকে দেখার অনুভূতি জানিয়েছেন জামাল ভূঁইয়া। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, 'সত্যি বলতে অভিজ্ঞতা খুব জোস ছিল। গিলবার্তো আসছে বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে। এটা তো আমার প্রথম বিশ্বকাপ ট্রফি দেখা। তাই খুব ভালো লাগছে।'
বিশ্বকাপের ট্রফির সাইজ যে নিজের ধারণার বাইরে ছিল, সেটিও অকপটে স্বীকার করে নিয়েছেন জামাল, 'আমি তো মনে করছি ট্রফি একটু ছোট, কিন্তু আসলে অনেক বড়। (গিলবার্তোকে) জিজ্ঞেস করছি ওজন কেমন। জানিয়েছে ৭ কেজি পিওর গোল্ড। সো অভিজ্ঞতা খুব ভালো ছিল।'
এদিকে বিমানবন্দর থেকে ট্রফি নেয়া হবে হোটেল রেডিসনে। সেখানে ফুটবল ফেডারেশন ও ফুটবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ছবি তোলার সুযোগ পাবেন। ফিফার স্পন্সর কোকাকোলার ক্যাম্পেইনে বিজয়ীরাও পাবেন বিশেষ সুযোগ। এই প্রতিষ্ঠানই বিগত কয়েকটি আসরে ট্রফি প্রদর্শন করেছে বিশ্বজুড়ে।
গত ৩ জানুয়ারি সৌদি আরবের রিয়াদে ইতালিয়ান কিংবদন্তি আলেসান্দ্রো দেল পিয়েরোর ট্রফি উন্মোচনের মাধ্যমে এই ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ট্রফি সফরের যাত্রা শুরু হয়। ফিফা এবং তাদের পানীয় অংশীদার কোকা-কোলা যৌথভাবে এই সফরের আয়োজন করেছে। দীর্ঘ ১৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের ৭৫টি স্থানে ৩০টি সদস্য দেশ ভ্রমণ শেষে আগামী ১১ জুন মেক্সিকোতে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই সফরের সমাপ্তি ঘটবে।
এমআই/এসএন