বাহরাইনে একটি বাসায় পোস্টাল ব্যালটের অনেকগুলো খাম গণনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মুখে ব্যাখ্যা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে গতকাল বুধবার ইসি সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, সেখানে ১৬০টি ব্যালট ছিল। কোনো খাম খোলা হয়েছে, এ রকম কিছু ভিডিওতে দেখা যায়নি। বিষয়টি বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত দেখছেন।
পোস্টাল ব্যালট বিতরণে অনুসরণীয় পদ্ধতির ব্যতিক্রম হয়েছে কি না, বাহরাইনের ডাক বিভাগ (বাহরাইন পোস্ট) তা তদন্ত করে জানাবে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, পোস্টাল ভোটের ব্যালট পাওয়ার আনন্দ ধরে রাখতে কেউ এটি ভিডিও করে পোস্ট করেছেন। তবে এটি করা উচিত হয়নি বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি। এ নিয়ে ব্যাখ্যা করে ইসি সচিব বলেন, ছাত্রজীবনে হোস্টেলে যেমন একটা জায়গায় চিঠিপত্র রেখে যেত, একটা টেবিলের ওপরে, আমরা সেখান থেকে নিজেরা নিজেরা নিয়ে নিতাম। সে রকম একটা বাক্সে ১৬০টি ব্যালট দিয়ে গেছে। ওই বাক্সটা যখন বাংলাদেশি প্রবাসী ভাইয়েরা এসে খুলেছেন, চার–পাঁচজন, তখন তারা ওটা ভাগ করে যে আমার পাশের ঘরে থাকে ও, আমি এটা নিচ্ছি। আমি ওটা পৌঁছে দেবো। ব্যাপারটা এরকম।
তিনি বলেন, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বাহরাইন পোস্টকে জানানো হয়েছে। তারা সরেজমিন তদন্ত করে জানাবে, এটা কেন ঘটল। তাদের যে পদ্ধতি অনুসরণ করার কথা ছিল, সেখানে কোনো ব্যতিক্রম হয়েছে কি না।
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে বিএনপি অভিযোগ করেছে, পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষ প্রতীক এমনভাবে রাখা হয়েছে প্রতীকের মাঝখানে ভাঁজ পড়ছে। এটা ইচ্ছাকৃত কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, তিনি যতটুকু জানেন, তা হলো—প্রতীকের যে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছিল, তার ধারাবাহিকতায় পোস্টাল ব্যালটে প্রতীকের ক্রম সাজানো হয়েছে।
ইউটি/টিএ