জামায়াতের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটে যোগ না দিয়ে ইসলামী আন্দোলনের এককভাবে ভোট করার ঘোষণায় রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে আলোচনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও এর বাইরে নয়।
এর মধ্যে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, 'ধৈর্যের পরীক্ষাই সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সবাইকে সর্বোচ্চ ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করুন। আমিন।
অন্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন। তাহলে আল্লাহ তা'আলাও আপনার সম্মান বাড়িয়ে দেবেন, ইনশাআল্লাহ।'
কারও নাম উল্লেখ না করলেও বোঝা যাচ্ছে, ইসলামী আন্দোলনকেও সাথে নিয়ে জোট গঠনের যে ইস্যু, সেটিকে কেন্দ্র করে তিনি তা লিখেছেন।
এর আগে, বিকেলে ইসলামী আন্দোলনের ডাকা সংবাদ সম্মেলনে বেশ কিছু অভিযোগ আনা হয়। যারা মধ্যে ডা. শফিকুর রহমানের নামও আসে।
ওই সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান দাবি করেন, জামায়াত ইসলামের পথ থেকে সরে গেছে, তাই তারা জোটে থাকছে না, এককভাবে ভোটে অংশ নেবে।
এই প্রসঙ্গে তারা জামায়াত ক্ষমতায় গেলে শরীয়াহ আইন না করার যেই বক্তব্য সম্প্রতি ছড়িয়েছে, তা তুলে ধরেন।
এছাড়া, জামায়াতের আমির বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে জাতীয় সরকার গঠনের কথা বলছেন, যার অর্থ সমঝোতার নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে দলটি- এমন অভিযোগও করা হয়।
একটি কথায় চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম অপমানিত বোধ করেছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। বিষয়টি পরিষ্কারও করা হয়।
গত ৯ ডিসেম্বর জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান ও ইসলামী আন্দোলনের আমির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম একান্ত আলোচনায় বসেছিলেন। সেই আলোচনায় জামায়াত আমির প্রথম আলোর জরিপের কথা টেনে বলেন, ইসলামী আন্দোলনের ভোট জিরো পেয়ন্ট সামথিং। যা চরমোনাই পীরকে এক ধরনের সরাসরি অপমান করা এবং এই ঘটনার পর থেকেই ইসলামী আন্দোলন বিকল্প চিন্তা করা শুরু করে বলে জানান গাজী আতাউর রহমান।
টিজে/টিকে