মাদারীপুরে বাসচাপায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। এ ঘটনায় প্রায় ৪ ঘণ্টা ধরে উদ্ধার অভিযান চলায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। মহাসড়কের উভয়পাশে প্রায় ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন দূর-দূরান্তের যাত্রী ও চালকরা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও সেনাবাহিনী।
এর আগে রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুরের মস্তফাপুর মিলগেইট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এরপর থেকেই মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকে।
নিহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- মাদারীপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের ঘটকচর এলাকার শাহ আলমের ছেলে রুমান, মাদারীপুর পৌরসভার ১নং শুকনী কলেজরোড এলাকার নেছার উদ্দিন মুন্সির ছেলে পান্নু মুন্সি (৫০) ও সদর উপজেলার কুনিয়া দক্ষিণপাড়া এলাকার জসিম বেপারির ছেলে ইজিবাইক চালক সাগর বেপারী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর থেকে ঢাকা যাচ্ছিল সার্বিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস। পথিমধ্যে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মিলগেইট এলাকায় একটি যাত্রীবাহী ইজিবাইকে চাপা দেয় বাসটি। এতে ইজিবাইকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং বাসটি মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। পরে একে একে আরও চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন। আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় যানজট প্রায় ১০ কিলোমিটারে ঠেকেছে। বর্তমানে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনীর উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন তারা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) রাজ্জাক জানান, হাসপাতালে ৭ জনের মরদেহ রয়েছে। এখন পর্যন্ত তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। বাকিদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
এসএন