বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুষ্টিয়া জেলা আমির অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেম হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন)।
অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এক শোকবাণীতে বলেন, অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেম একজন আদর্শবান, নিষ্ঠাবান ও সংগ্রামী ইসলামী ব্যক্তিত্ব। দ্বীনের পথে তার অবদান, ত্যাগ ও নেতৃত্ব সংগঠনের জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি দ্বীনের কাজে নিয়োজিত থেকে দুনিয়ার সফর শেষ করলেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার মৃত্যুতে আমরা ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিত প্রাণ দাঈকে হারালাম। তিনি ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে গিয়েছেন এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রচার ও প্রসারে তার অনেক অবদান রয়েছে। আমি তার ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি।
শোকবাণীতে তিনি আরও বলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাকে ক্ষমা ও রহম করুন এবং তার কবরকে প্রশস্ত করুন। তার গুনাহখাতাগুলোকে ক্ষমা করে দিয়ে নেকিতে পরিণত করুন। কবর থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রত্যেকটি মঞ্জিলকে তার জন্য সহজ, আরামদায়ক ও কল্যাণময় করে দিন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাকে জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করুন এবং তার শোকাহত পরিবার-পরিজনদের এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন।
এখানে উল্লেখ্য, অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেম স্ত্রী, এক ছেলে ও এক কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। ২০ জানুয়ারি সকাল ৯টায় হাউসিং ডি ব্লক, চান্দা গাড়া ঈদগাহ ময়দানে ১ম জানাজা এবং বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর ফুটবল মাঠে ২য় জানাজা শেষে তাকে মিরপুর ওয়াপদা কবরস্থানে দাফন করা হবে।
ইউটি/টিএ