চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’। ২০২৩ সালের এ পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা যৌথভাবে পাচ্ছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ এবং বরেণ্য চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতা আব্দুল লতিফ বাচ্চু। যদিও এ সম্মান মৃত ব্যক্তিদের দেয়ার কোনো নিয়ম নেই।
২০২৩ সালে পুরস্কার আহ্বানের জন্য পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপনের দুই নম্বর নিয়মে উল্লেখ করা হয়েছিল আজীবন সম্মাননার ক্ষেত্রে কেবল জীবিত ব্যক্তিদের আবেদন করতে হবে। এ নিয়ম অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তি আজীবন সম্মাননা ক্যাটাগরির জন্য বিবেচিত হবেন না।
তবে সে নিয়মের বাইরে চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ও নির্মাতা আব্দুল লতিফ বাচ্চুকে ২০২৩ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা দেয়া হচ্ছে।
এ অসংগতি প্রসঙ্গে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জুরি বোর্ড সদস্য বরকত হোসেন পলাশের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,
পুরস্কার চূড়ান্ত মন্ত্রণালয় করে। আমরা জুরি বোর্ডের সদস্যরা শুধু নাম প্রস্তাব করতে পারি। তবে ২০২৩ সালে জুরি বোর্ডের সদস্যদের দেয়া প্রস্তাবনায় আজীবন সম্মাননায় ওনাদের দুজনের নাম ছিল না।
জুরি বোর্ড সদস্য বরকত হোসেন পলাশ আরও বলেন,
আমরা বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর করেছি। মন্ত্রণালয় সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। আশা করছি ২-১ দিনের মধ্যে এর সংশোধন হবে।
চলতি বছর গত ২৯ জানুয়ারি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা করে। এ পুরস্কারের জন্য ২৮টি ক্ষেত্রে সর্বমোট ৩০ জন শিল্পী ও কলাকুশলীকে মনোনীত করেছে সরকার।
এবি/এসএন