ম্যাচের শুরুতেই দলকে এগিয়ে দিলেন ক্যাসেমিরো। বিরতির পর ৫৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ম্যাথেউস কুইয়া। ৮৪ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়ে ছিলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এরপর ৬ মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল হজম করে পয়েন্ট হারানোর শঙ্কায় পড়েছিল রেড ডেভিলরা। তবে বেনিয়ামিন সেসকোর কল্যাণে এযাত্রায় পয়েন্ট খোয়াতে হলো না তাদের। যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে ব্যবধান গড়ে দেন তিনি।
ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ফুলহ্যামকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। পুরো ম্যাচে ৫৭ শতাংশের বেশি সময় বল দখলে রেখে গোলের জন্য ১৪টি শট নিয়ে ৬টি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে ফুলহ্যাম। অন্যদিকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ১৩ শটের ৬টি লক্ষ্যে রেখেছিল।
ঘরের মাঠে ১৯তম মিনিটেই এগিয়ে যায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ব্রুনো ফার্নান্দেজের কর্নারে দুর্দান্ত এক হেডে দলকে লিড এনে দেন ক্যাসেমিরো।
৫৬তম মিনিটে দারুণ এক পাস বাড়ান ক্যাসেমিরো। তার পাস ধরে দুরূহ কোণ থেকে ঠিকানা খুঁজে নেন আরেক ব্রাজিলিয়ান কুইয়া। ৬৫তম মিনিটে ইউনাইটেডের জালে বল পাঠান হোর্হে কুয়েনকা। কিন্তু স্যামুয়েল চুকউয়েজ অফসাইডে থাকায় গোল হয়নি।
৮৫ মিনিটে বক্সের ভেতরে হিমেনেসকে ফাউল করে বসেন হ্যারি ম্যাগুইয়ার। আর তাতেই পেনাল্টি পেয়ে যায় ফুলহ্যাম। সফল স্পট কিক থেকে ব্যবধান কমান হিমেনেস।
যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে সমতা ফেরান কেভিন। তার তিন মিনিট পর ব্রুনো ফার্নান্দেজের থ্রু বল ধরে এগিয়ে গিয়ে বল জালে জড়ান সেসকো। আর তাতেই ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। সবশেষ টানা তিন ম্যাচেই জয় পেলো রেড ডেভিলরা।
এমআর/টিকে