দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক সাইফুল আলমের একটি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তার স্ত্রী ও মেয়েদের নামে থাকা ট্রাস্ট গ্রিন সিটির ৫ কাঠার প্লট ক্রোক আদেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানজির আহমেদ এ তথ্য জানান।
এদিন দুদকের পক্ষে সংস্থাটির উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সম্পদ ক্রোক আদেশ চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, সাইফুল আলমের সম্পদ বিবরণী যাচাই পূর্বক অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধানকালে বিভিন্ন সূত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যরা ব্যাংক হিসাবের অর্থ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে প্লট ক্রয়ের নিমিত্ত জমা করা প্লটের টাকা (রেজিস্ট্রেশন এখনো সম্পন্ন হয়নি) উত্তোলন করে অপরাধলব্ধ সম্পদ গোপন করার চেষ্টা করছেন।
অনুসন্ধান নিষ্পত্তির আগে বর্ণিত সম্পদ পুনরায় হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে পরবর্তী সময়ে সেগুলো উদ্ধারকরণ দুরূহ হয়ে পড়বে। তাই, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ১০ ও ১৪ ধারা ও দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর ১৮ ধারার বিধান মতে নিম্নবর্ণিত ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ (অবরুদ্ধ) এবং স্থাবর সম্পদ ক্রোক করা একান্ত আবশ্যক।
ইউটি/টিএ