যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে উত্তেজনাকর সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। কাল শুক্রবার ওমানে দুই দেশের প্রতিনিধিরা বৈঠকে বসবেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, চুক্তি না করলে ইরানকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি বলেছেন যে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই আলোচনার সময়সূচি সম্পর্কে তিনি দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএকে বলেন, ওমান, তুরস্ক এবং আরো কয়েকটি দেশ এই আলোচনার আয়োজনের ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে। চূড়ান্ত স্থান শিগিগরই নির্ধারণ করা হবে। মঙ্গলবার ট্রাম্পও ঘোষণা করেন যে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে। জানা গেছে, ইরান তুরস্কের পরিবর্তে ওমানে বৈঠক করতে রাজি হয়েছে।
মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন থেকে একটি ইরানি ড্রোনকে ভূপাতিত করার পর হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জানান যে দেশটির বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসার পরিকল্পনা এখনো বহাল রয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই আলোচনা, যা ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হবে বলে বলা হয়েছে। এদিকে, ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তুরস্ক, কাতার ও ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পৃথকভাবে আলোচনা করেছেন। ফোনালাপে আরাঘচি এই দেশগুলোকে উত্তেজনা হ্রাস এবং আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান। হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, এই মুহূর্তে আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলছি, আমরা ইরানের সঙ্গে আলোচনা করছি। যদি আমরা কোনো সমাধানে পৌঁছাতে পারি, তা হলে সেটা দারুণ হবে। আর যদি না পারি, তাহলে সম্ভবত খারাপ কিছু ঘটবে।
সুত্রঃ রয়টার্স ও আলজাজিরা
পিএ/টিএ