এবারের টি-২০ বিশ্বকাপে সবচেয়ে ফেবারিট দল কোনটি? সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় নিলে ভারতের আশপাশে কাউকে রাখা কঠিনই হয়ে পড়ে। টিম ইন্ডিয়া রীতিমতো অপ্রতিরোধ্য দলে পরিণত হয়েছে। ফল হওয়া সবশেষ ২০ ম্যাচে তাদের হার মোটে ৩টিতে।
শেষ ৫ ইনিংসে ভারত তিনবার দুশো ছাড়ানো ইনিংস খেলেছে। এরমধ্যে এক ম্যাচে তো করেছে ২৭১-ও। ভারতের বিস্ফোরক দল হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান অভিষেক শর্মার। সূর্যকুমার মাঝে ছন্দহীন ছিলেন। এখন আগের রূপে ফিরেছেন। দলে যোগ হয়েছেন ইশান কিশান। সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফির পারফরম্যান্স দিয়ে দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ঢোকা এই ব্যাটারের ব্যাটও খুরধার। এ যেন আরেক অভিশেক শর্মা, দুজনের মধ্যে একরকম প্রতিযোগিতা চলছে, কে কতটা ভালো।
সূর্যকুমার, কিশান ও অভিষেক তিনজনই সদ্য শেষ হওয়া নিউজিল্যান্ড সিরিজে দেড়শর বেশি রান করেছেন। কিশান ও অভিষেক কাজটা করেছেন ২৩০- এর বেশি স্ট্রাইকরেটে। ভারতের ব্যাটিং লাইনআপে এরপর আছেন তিলক বার্মা, শিভম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া ও রিংকু সিংদের মতো ব্যাটাররা। জাসপ্রিত বুমরাহকে নিয়ে বোলিং বিভাগও শক্তিশালী। ভারতকেই তো ফেবারিটের তালিকায় রাখতে হয়, নাকি? কিন্তু কাগিসো রাবাদার কাছে ব্যাপারটা এরকম নয়।
রাবাদা কাউকেই ফেবারিট মনে করছেন না, নিজেদের তো নয়ই, ভারতকেও নয়। আইপিএল খেলার সুবাদে অনেক বিদেশির কাছেই ভারতের কন্ডিশন পরিচিত হওয়ায় তার এই যুক্তি। সংবাদ সম্মেলনে প্রোটিয়া পেসার বলেন, ‘এটা একটা রোমাঞ্চকর টুর্নামেন্ট হতে যাচ্ছে। কারণ আইপিএলে খেলার কারণে অনেক বিদেশির কাছে কন্ডিশন অপরিচিত নয়। ভারতের শিবিরে ঠিক কী চলছে, তারা চাপ অনুভব করছে কি না, এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই। তবে এটুকু বলতে পারি, আমি আসলে কাউকেই স্পষ্ট ফেভারিট বলতে পারছি না।’
তিনি যোগ করে বলেন, ‘এই টুর্নামেন্টে কোনো নির্দিষ্ট ফেভারিট নেই। এটা সবার জন্যই খোলা। যে কেউ জিততে পারে। আমরাও অবশ্যই নিজেদের দাবিটা জানাব। এই টুর্নামেন্ট পুরোপুরি উন্মুক্ত।’
২০ দলের বিশ্বকাপ শুরু হবে আগামীকাল থেকে। প্রথম দিন মাঠে নামবে ৬ দল, কলম্বোয় প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস, ইডেন গার্ডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলবে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। দিনের তৃতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র। রাবাদার দক্ষিণ আফ্রিকার মিশন শুরু হবে ৯ ফেব্রুয়ারি, প্রথম ম্যাচে কানাডার মুখোমুখি হবে তারা।
এসকে/টিকে