ওমানে আলোচনা শেষ হওয়ার পরপরই ইরানের তেল রপ্তানির ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, ইরান তেল রপ্তানি থেকে অর্জিত রাজস্ব বিশ্বজুড়ে অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন এবং দেশের অভ্যন্তরে দমন-পীড়ন জোরদার করতে ব্যবহার করছে। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতির আওতায় ইরানি সরকারের অবৈধ তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানি কমিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে জানানো হয়, ইরানি তেল পরিবহনে জড়িত থাকার অভিযোগে সন্দেহভাজন ১৪টি জাহাজের সঙ্গে সব ধরনের লেনদেন নিষিদ্ধ করা হবে। এসব জাহাজের মধ্যে তুরস্ক, ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পতাকাবাহী জাহাজও রয়েছে। পাশাপাশি ১৫টি প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদ থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানি তেল রপ্তানি বন্ধে অন্যান্য দেশকে চাপ দিতে ধারাবাহিকভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আসছে।
এদিকে শুক্রবার ওমানে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ শান্তি দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে আলোচনার পরিবেশকে ‘ইতিবাচক’ বলে উল্লেখ করেন আরাঘচি।
এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগের হুমকি দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাশাপাশি ইরানের উপকূলের কাছাকাছি এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতিও জোরদার করা হয়।