গ্রুপপর্বে বাংলাদেশ ছিল একমাত্র অপরাজিত দল। গ্রুপপর্বে মুখোমুখি দেখায়ও ভারতের বিপক্ষে জয় তুলে নেয় তারা। সেই একই দলের কাছে বাংলাদেশ হারল ফাইনালে। ৪-০ গোলের হারে শিরোপা হাতছাড়া হলো তাদের।
বাংলাদেশ ছিল এই টুর্নামেন্টের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন। অবশ্য এটা বললে কিছুটা অবিচারই হয়ে যায়। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা আগের ৬ আসরের মধ্যে ৫ বারই শিরোপা জিতেছে। এরমধ্যে ২০২৪ সালে হয়েছিল যৌথ চ্যাম্পিয়ন। সেবার বাংলাদেশ শিরোপা ভাগাভাগি করে ভারতের সঙ্গে। এবার আর ভাগাভাগি নয়, ভারত শিরোপা ছিনিয়েই নিল।
পোখারার রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ পাত্তাই পায়নি। কোনো গোল করতে না পারাই তার প্রমাণ। প্রথমার্ধে এক গোল করা ভারত দ্বিতীয়ার্ধের ২০ মিনিটের ঝড়ে বাংলাদেশকে ছিটকে দেয়। ৬৩ থেকে ৮৩ মিনিটের মধ্যে তারা করে ৩ গোল।
ভারতকে লিড নিয়ে দিয়েছিলেন জুলান নংমাইথেম। পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এলিজাবেদ লাকরা। ৬৮ মিনিটে পিয়ার্ল ফার্নান্দেজ ও ৮৩ মিনিটে অন্বিতা রগুরামান গোল করে নিজেদের ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে যান।
শেষটা ভালো না হলেও ফাইনালের আগ পর্যন্ত টুর্নামেন্টটা দারুণ কেটেছে বাংলাদেশর আলপি আক্তারের। ৭ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে জিতেছেন টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫ গোল করেছেন ভারতের ফার্নান্দেজ।
এসএস/এসএন