মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এই অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ দুই নারী আটক হওয়া কক্সবাজারের মাদক চক্রের বিস্তারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরছে। ইয়াবা ও হেরোইন পাচারের ঘটনায় অভিযুক্ত এই দুই নারীর আটক হওয়া কি কোনো বড় চক্রের অংশ হতে পারে, নাকি তারা স্বতন্ত্রভাবে এই কাজে যুক্ত ছিলেন—এটি তদন্তের বিষয়।
এ ধরনের ঘটনার পর সাধারণত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাদক সরবরাহের উৎস ও চক্রের অন্যান্য সদস্যদের ধরার জন্য তদন্ত চালায়। এছাড়া, কক্সবাজার পর্যটন কেন্দ্র হওয়ায় মাদক কারবারিরা এখানে বিভিন্ন কৌশলে মাদক সরবরাহ করে থাকে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক একেএম দিদারুল আলম।
তিনি বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারি যে, দুই মাদক কারবারি পর্যটক বেশে ইয়াবা ও হেরোইন পাচারের উদ্দেশ্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে আমরা হিমছড়ি পর্যটন স্পটে অভিযান পরিচলনা করে দুইজনকে আটক করি। এসময় তাদের কাছ থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা, ৫০০ গ্রাম হেরোইন ও নগদ ২ লাখ ৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। আটক দুই মাদক কারবারি দীর্ঘদিন ধরে পর্যটক বেশে মাদক পাচার করে থাকেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।