গত সোমবার বাংলাদেশে পালিত হয়েছে ঈদুল ফিতর। তবে এই ঈদে ছুটি পাননি বাংলাদেশ নারী দলের ক্রিকেটাররা। যে কারণে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উপভোগ করতে পারেননি নিগার সুলতানা জ্যোতিরা। বিসিবির একাডেমি ভবনেই কেটেছে ঈদের দিন।
আজ বুধবার মিরপুরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জ্যোতি বলেন, ‘ঈদের আগের দিনও আমরা অনুশীলন করেছি। কারণ সবাই জানে এই বাছাইপর্বটা আমাদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। একটি দল যখন বিশ্বকাপে খেলে, তখন সেটির প্রভাব ভিন্ন হয়। আইসিসির কাছ থেকেও নানা সুযোগ আসে। আর্থিক দিক থেকেও এটি আমাদের জন্য লাভজনক।'
'গত বিশ্বকাপ খেলার পরই আমরা এফটিপিতে ঢুকেছি। যা আমাদের ক্রিকেটের পরিধি বাড়িয়েছে। ক্রিকেটারদের জন্যও এটি বড় সুযোগ।'-যোগ করেন তিনি।
২০২৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপে মূল পর্বে খেলা নিয়ে জ্যোতি বলেন, ‘নিয়মিত ভাবে বড় টুর্নামেন্ট খেলার সুযোগ পেলে হয়তো আমাদের বর্তমান অবস্থা অন্যরকম হতে পারত। আমরা কিছুটা পিছিয়ে পড়েছি, তবে এখান থেকে বেরিয়ে আসার দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে। নিজেদের সেরা মানসিকতা ও সামর্থ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।’
অতীতের কথা জানিয়ে জ্যোতি বলেন, ‘২০১৮ সালে এশিয়া কাপ জয়ের পর আমাদের নারী ক্রিকেটে একটা বিপ্লব ঘটেছিল। আমরা ধারাবাহিকভাবে ভালো করছিলাম। তবে কোভিডের কারণে প্রায় দুই বছর পিছিয়ে গেছি। গণমাধ্যমের মনোযোগও তখন আমাদের দিকে ছিল। কিন্তু পর্যাপ্ত আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে পারিনি।’
ব্যাটিং কোচ ডেভিড হেম্পের পাকিস্তানে কাজ করার অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে বলে মনে করেন জ্যোতি, ‘তিনি পাকিস্তান নারী দলের কোচ হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। তাদের কন্ডিশন খুব ভালো বোঝেন। তিনি জানেন, কীভাবে রান করতে হয়, কোন পরিকল্পনায় এগোলে সাফল্য আসতে পারে। আমাদের ব্যাটারদের সঙ্গেও আলাদা আলাদাভাবে কাজ করেছেন। তার অভিজ্ঞতা পাকিস্তানের কন্ডিশনে আমাদের দারুণ সাহায্য করবে।’
এমআর/এসএন