যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের প্রায় সব দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। যার ফলে সাধারণ আমেরিকানদের জন্য পোশাক, কফি, জুতা, মদ্যপানযোগ্য পানীয় এবং ইলেকট্রনিকসের মতো পণ্যের দাম বেড়ে যেতে পারে। খবর বিবিসি।
৫ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া এই শুল্কগুলো অন্তত ১০% থেকে শুরু হয়ে কিছু চিহ্নিত দেশের ক্ষেত্রে ৫০% পর্যন্ত হতে পারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, আমদানি খরচ বাড়ায় পণ্যের দাম সাধারণ ভোক্তার ওপর চাপ ফেলবে এবং এতে মূল্যস্ফীতি আরো বাড়বে।
পোশাক
ভিয়েতনাম, চীন ও বাংলাদেশের তৈরি পোশাকে ৩৪%-৪৬% শুল্ক বসতে পারে। এতে টার্গেট, ওয়ালমার্ট, এইচঅ্যান্ডএম, গ্যাপের মতো দোকানে পোশাকের দাম বেড়ে যেতে পারে। ইউএস ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন বলছে, এটা নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর ওপর অন্যায্য চাপ ফেলবে।
কফি ও আমদানি খাদ্য
ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা কফির ওপর ১০% শুল্ক লাগবে। গ্রাফেও কফির মালিক ওয়াল্টার হাস বলেন, শুল্ক কার্যকরের পরদিন থেকেই আমরা এর প্রভাব টের পাব।
ইউরোপ থেকে আসা জলপাই তেলসহ অন্যান্য খাদ্যপণ্যের দামও বাড়তে পারে, কারণ ইইউ পণ্যে ২০% শুল্ক ধার্য হয়েছে।
জুতা
নাইকি ও অ্যাডিডাসের মতো ব্র্যান্ডের জুতা, যেগুলোর বড় অংশ ভিয়েতনামে তৈরি হয়, সেগুলোর দাম ১০%-১২% পর্যন্ত বাড়তে পারে।
মদ ও বিয়ার
ফ্রান্স থেকে আমদানি করা ওয়াইন, গিনেসের মতো বিদেশী বিয়ার এবং বিদেশী স্পিরিট দিয়ে তৈরি ককটেলের দাম বাড়বে। ক্যানজাত বিয়ারের ওপরও অ্যালুমিনিয়াম শুল্ক বাড়ানো হয়েছে।
ইলেকট্রনিকস
আইফোন, স্যামসাং মোবাইল, ভিডিও গেম কনসোলের দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সব আইফোন প্রায় চীনে তৈরি, যাদের ওপর এখন ৫০% পর্যন্ত শুল্ক বসতে পারে।
চীনা অনলাইন শপিং
চীনের টেমু ও শেইনের মতো সস্তা অনলাইন ব্র্যান্ডগুলো আর শুল্কমুক্ত ছোট পণ্য পাঠাতে পারবে না। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ২৫ থেকে ৫০ ডলার পর্যন্ত কর বসবে প্রতিটি পণ্যে।
এসএন