এশিয়া কাপের আগে নেদারল্যান্ডস সিরিজকে প্রস্তুতির সেরা মঞ্চ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। সোহান ও সাইফের দলে ফেরায় খুশি লিটনের বিশ্বাস-সুযোগ পেলে তারা নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করবেন।
আসন্ন এশিয়া কাপের আগে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজকে প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবেই দেখছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। বৃহস্পতিবার সিলেটে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিশেষভাবে কথা বলেছেন দলে ফেরা নুরুল হাসান সোহান ও সাইফ হাসানকে নিয়ে।
দীর্ঘ তিন বছর পর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরেছেন সোহান এবং প্রায় দুই বছর পর ডাক পেয়েছেন সাইফ। এই দুই ক্রিকেটারের অন্তর্ভুক্তিতে সন্তুষ্ট লিটন বলেন, ‘আমি খুবই খুশি আমার দলে দুজন খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এমন নয় যে যারা এখন দলে নেই তারা খারাপ খেলোয়াড়। তারাও বাংলাদেশের জন্য অনেক কিছু করেছে এবং ভবিষ্যতে আবারও ফিরতে পারবে। সোহান ভাই তো অনেকদিন ধরেই ভালো ক্রিকেট খেলছে।’
সাইফের ভূমিকা নিয়েও ব্যাখ্যা দেন লিটন। তিনি বলেন, ‘সাইফ গত বিপিএল, গ্লোবাল সুপার লিগ এবং অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ খেলে এসেছে। মাঝের ওভারে একজন আগ্রাসী ব্যাটার দরকার ছিল, যে আবার প্রয়োজনে এক-দুই ওভার বলও করতে পারে। সেই সামর্থ্য তার আছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে যেভাবে খেলেছে, আশা করি এখানেও তা করতে পারবে।’
এই দুই খেলোয়াড়কে পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হবে কি না এমন প্রশ্নে লিটন আশ্বস্ত করেন, ‘আমি চাইব তারা যেন বাংলাদেশের জন্য সেরা ক্রিকেটটা খেলতে পারে। দুই-এক ম্যাচ পরেই বাদ পড়বে-এমনটা নয়। টি-টোয়েন্টিতে আউট হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক, তবে খেলোয়াড় যদি দলের জন্য সবকিছু দিতে প্রস্তুত থাকে তাহলে ম্যানেজমেন্ট অবশ্যই তাকে ব্যাক করবে।’
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সিরিজকে ‘পরীক্ষা-নিরীক্ষার মঞ্চ’ হলেও লিটন সতর্ক। তার মতে, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ছোট দল বলে কিছু নেই। আমরা সবসময় জেতার জন্য খেলি। হেরে গেলে সেটা নতুন কিছু না, কিন্তু মূল বিষয় হচ্ছে আমরা কতটা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারছি।’
এশিয়া কাপে যাওয়ার আগে এই সিরিজটাই হবে আসল পরীক্ষা বলে মনে করেন তিনি, ‘এশিয়া কাপে ভিন্ন দল থাকবে, তবে কন্ডিশন প্রায় একই। আবুধাবি যেমন ব্যাটিং ফ্রেন্ডলি উইকেট, সিলেটও তেমন। এখানে আমরা যদি বড় রান (২০০–২৫০) করতে পারি ভালো, না পারলেও চেষ্টা থাকবে ধারাবাহিকতা গড়ে তোলার।’
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ৩০ আগস্ট মাঠে গড়াবে প্রথম ম্যাচ। পরের দুটি ম্যাচ হবে ১ ও ৩ সেপ্টেম্বর। সিলেটে তিন ম্যাচের সবগুলো টি-টোয়েন্টি হবে সন্ধ্যা ৬টায়। এরপরই এশিয়া কাপে ব্যাট হাতে নামবেন লিটনরা।
এফপি/ টিএ