• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬

ঢাকা-জয়দেবপুর রেললাইন প্রকল্পের অগ্রগতি ২২ ভাগ

ঢাকা-জয়দেবপুর রেললাইন প্রকল্পের অগ্রগতি ২২ ভাগ

তানভীর রায়হান১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৮:১২পিএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

ঢাকা-টঙ্গী রুটে দুটি ও টঙ্গী-জয়দেবপুর রুটে একটি নতুন ডুয়েল গেজ রেললাইন প্রকল্পের অগ্রগতি হয়েছে ২২ শতাংশ। প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে প্রায় ৫ মিনিট পর পর ট্রেন ছাড়া সম্ভব হবে। এতে করে নগরে আসবে গতি। কমবে নাগরিক ভোগান্তি।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, প্রকল্পটি শেষ হলে এ পথে চলবে একাধিক ট্রেন। ইলেক্ট্রিক ট্রেনও চালু করা যাবে। ফলে টঙ্গী, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লার সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হবে। যা ওই সব অঞ্চলের মানুষের ঢাকায় কর্মস্থলে আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

তারা আরো বলেন, ট্রেনে জয়দেবপুর থেকে ঢাকা আসতে এখন প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট সময় লাগে। নতুন লাইন নির্মাণ এবং বিশেষ সার্ভিস চালু হলে ২৫ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যেই ঢাকা আসা যাবে। অন্যদিকে নরসিংদী থেকে ঢাকা আসতে সময় লাগবে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট। এই রুটে এখন সময় লাগছে প্রায় দেড় ঘণ্টার মতো।

ঢাকা-টঙ্গী রুটে দুটি ও টঙ্গী-জয়দেবপুর রুটের প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার এমবাডমেন্টের কাজ চলমান রয়েছে। রুটের ৪২ নং টঙ্গী ব্রিজের কাজের পাইলিংয়ের ১১০টির মধ্যে ৭৩টির কাজ শেষ হয়েছে। এছাড়ায় ফায়দাবাদসহ বিভিন্ন এলাকায় রেলওয়ের উচ্ছেদ অভিযান চলমান।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এই রুটে সামাজিক বনায়নের অধীনে থাকা গাছগুলো ইতোমধ্যে অপসারণ করেছে বনবিভাগ। ঢাকা থেকে জয়দেবপুরের দূরত্ব ৩৩ কিলোমিটার। তবে সেখানে ৩য় ও চতুর্থ মেইন লাইন, লুক লাইন, ইয়ার্ড লাইন ও সারিং লাইন মিলে প্রায় ১০০ কিলোমিটার রেললাইন স্থাপন করা হবে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, নতুন রেললাইন স্থাপিত হলে এক ট্রেন দাঁড় করিয়ে অন্য ট্রেনের লাইন ক্লিয়ারেন্স দেয়ার চিরাচরিত সমস্যার সমাধান হবে। সিডিউল মতো ট্রেন চলবে। নতুন লাইন নির্মাণকে সামনে রেখে লাইন ঘেঁষা তেজগাঁও ও কারওয়ান বাজারের বস্তিগুলোর উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

রেলওয়ে অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) মোঃ আনোয়ারুল হক বলেন, টঙ্গী থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত ৩য় ও ৪র্থ লাইন না থাকায় পথে ট্রেন দাঁড় করিয়ে রাখতে হয় ক্লিয়ারেন্স পেতে। লাইনের অভাবে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে কমপক্ষে আধা ঘণ্টা পর ট্রেন ছাড়তে হচ্ছে। লাইন দুটি হলে এ সমস্যার সমাধান হবে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পটির কাজ ২০১২ সালের জুলাইয়ে শুরু হয়ে ২০১৬ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে ত্রুটির কারণে দরপত্র বাতিল করা হয়। প্রকল্পটি প্রথমে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন করা হয়। এতে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৮৪৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এক্ষেত্রে ভারতের ঋণ দেয়ার কথা ছিল ৬৯৫ কোটি ৯০ লাখ। বাকি ১৫২ কোটি ৭০ লাখ টাকা সরকারের তহবিল থেকে সরবরাহ করার কথা ছিল।

তবে ভারতীয় ডলার ক্রেডিট লাইনের (এলওসি) অর্থায়নে ১১০৬.৮০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে প্রকল্পের সংশোধিত ডিপিপি ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর তারিখে একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয়। আর তার কাজের জন্য ২০১৬ সালের ২৮ জানুয়ারী কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। 

এছাড়া ওই একই সালের ২৪ জুলাই রেল ট্র্যাক নির্মাণের জন্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। আর গত বছরের ৯ নভেম্বরে ভারতীয় এক্সিম ব্যাংকের সম্মতি পাওয়া যায়। বর্তমানে প্রকল্পের ভৌত কাজের অগ্রগতি ২২ ভাগ।  

প্রকল্প পরিচালক পূর্বাঞ্চল রেলপথের প্রধান প্রকৌশলী মো. শহীদুল ইসলাম বাংলাদেশ টাইমসকে জানান, গত বছরের ডিসেম্বরে সংশোধন করা হয়েছে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি)। এক্ষেত্রে প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ১১শ’ ৬ কোটি টাকা। ভারতের ঋণ এলওসির আওতায় প্রকল্পটি নির্মাণ করা হবে। দেশটির আরভি অ্যান্ড আয়শা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের প্রণয়ন করা নকশা অনুমোদিত হয়েছে।

টাইমস/টিআর/এমএস  

 

 

শপথ নিলেন ঢাকার দুই সিটির মেয়র

শপথ নিলেন ঢাকার দুই সিটির মেয়র

ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত দুই মেয়র ও

নাছিরকে নিয়ে ফরম জমা দিলেন রেজাউল

নাছিরকে নিয়ে ফরম জমা দিলেন রেজাউল

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক

নির্বাচনে হেরে দিল্লিতে দাঙ্গা করছে বিজেপি

নির্বাচনে হেরে দিল্লিতে দাঙ্গা করছে বিজেপি

নির্বাচনে হেরে গিয়েই দিল্লিতে দাঙ্গা শুরু করেছে বিজেপি, শিব সেনার

জাতীয়

নারায়ণগঞ্জে চোর চক্রের ৭ সদস্য আটক

নারায়ণগঞ্জে চোর চক্রের ৭ সদস্য আটক

নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ চোর চক্রের ৭ সদস্যকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব। বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজীনগরে র‍্যাব-১১ এর সহকারী পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান। এর আগে বুধবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের বাঘমারা, রূপগঞ্জের নোয়াপাড়া ও ঢাকার ডেমরায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে র‍্যাব।

জাতীয়

পুঠিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে একজনের মৃত্যু

পুঠিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে একজনের মৃত্যু

রাজশাহীর পুঠিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তার আনুমানিক বয়স ৩০ বছর। বৃহস্পতিবার বেলপুকুর রেলক্রসিংয়ের অদূরে সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পশ্চিম রেলওয়ের ইশ্বরদী জিআরপি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

যা কিছু প্রথম

জেনে নিন, টেলিস্কোপ আবিষ্কারের ইতিহাস

জেনে নিন, টেলিস্কোপ আবিষ্কারের ইতিহাস

বহুদূরের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বস্তুকে দেখার উপযোগী যন্ত্রকে বলা হয় টেলিস্কোপ বা দূরবীক্ষণ। নলাকৃতির এই যন্ত্রটি সাধারণত লেন্স ও দর্পণ দিয়ে তৈরি করা হয়। এ ধরণের যন্ত্রের সাহায্যে দূরের বস্তু আরও উজ্জ্বলভাবে বা অস্পষ্ট বস্তু আরও স্পষ্ট করে দেখা যায়। টেলিস্কোপের আবিষ্কার নিয়ে মূলত গ্যালিলিওকে কৃতিত্ব দেয়া হলেও টেলিস্কোপের আবিষ্কার হয়েছিল তারও বেশ কিছুদিন আগে!

জাতীয়

ফুলপুরে নিখোঁজের ৫ দিন পর শ্রীপুর থেকে উদ্ধার চার ছাত্রী

ফুলপুরে নিখোঁজের ৫ দিন পর শ্রীপুর থেকে উদ্ধার চার ছাত্রী

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলা থেকে নিখোঁজের ৫ দিন পর দুই বোনসহ চার ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে গাজীপুরের শ্রীপুরের বেতজুড়ি গ্রাম থেকে তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও ফুলপুর থানা পুলিশ।

স্বাস্থ্য

দই খেলে দূর হবে পেটের ব্যথাসহ নানা সমস্যা

দই খেলে দূর হবে পেটের ব্যথাসহ নানা সমস্যা

দই আমাদের অতিপরিচিত ও প্রিয় একটি খাবার। আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ লোকই দই খেতে পছন্দ করেন। এটি যে কেবল স্বাদেই অসাধারণ তা কিন্তু নয়, হজমে সহায়তা করাসহ ত্বককে সুস্থ রাখতে দইয়ের ভূমিকাও অতুলনীয়। মশলাদার খাবারের পর দই খাওয়ার রীতি আমাদের সমাজে এখনো অনেক জায়গায় প্রচলিত রয়েছে। এটি কিন্তু এমনি এমনি সৃষ্টি কোনো রীতি নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।

কৃষি কথা

আধুনিক পদ্ধতিতে শালগম চাষ

আধুনিক পদ্ধতিতে শালগম চাষ

শালগম বাংলাদেশে সুপরিচিত হলেও এর উৎপাদনের পরিমাণ খুব কম। এটি নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুর উপযোগী ফসল। ১৫-২০ ডিগ্রি সে. তাপমাত্রায় এটি সবচেয়ে ভালো জন্মে। শালগম চাষের দু’মাসের মধ্যে পরিপক্ব হয়ে যায়। আমাদের দেশে কেবল রবি মৌসুমে শালগমের চাষ সম্ভব। কারণ, শালগমের চারা কচি থাকা অবস্থায় বৃষ্টি হলে ফসল সহজেই নষ্ট হয়ে যায়।