• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • বুধবার, ২২ জানুয়ারি ২০২০, ৯ মাঘ ১৪২৬

প্রিন্সেস ডায়ানা: এক মমতাময়ী রাজকুমারীর গল্প

প্রিন্সেস ডায়ানা: এক মমতাময়ী রাজকুমারীর গল্প

ফিচার ডেস্ক১০ নভেম্বর ২০১৮, ০৬:১০পিএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

ডায়ানা, ওয়েলস এর রাজকুমারী। বিংশ শতাব্দীর সৌন্দর্যের প্রতীক। তার অপরূপ সৌন্দর্য ও লাবণ্য সবাইকে বিমোহিত করতো। একইসঙ্গে সমাজসেবা মূলক কাজে অসামান্য অবদানের জন্যও তিনি খুব প্রশংসিত।

বিশেষ করে এইডস রোগীদের সাহায্যে ও স্থলমাইন নিষিদ্ধের পক্ষে প্রচারণায় তার অবদান তাকে স্বরণীয় করে রেখেছে।

ডায়ানা ১৯৮১ সালে রাজপুত্র চার্লসকে বিয়ে করে “প্রিন্সেস ডায়ানা অফ ওয়েলস” উপাধি গ্রহণ করেন। তার গর্ভেই এসেছেন ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তরাধিকারী প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারি।

ওই সময় তাকে বিশ্বের শীর্ষ ফটোগ্রাফড ব্যক্তিত্ব বলে মনে করা হতো। যার ছবি সর্বাধিকবার “পিপল” ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে স্থান পেয়েছিল।

১৯৬১ সালে রাজ পরিবারের সাথে সম্পর্কিত এক অভিজাত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ডায়ানা। তার বাবা অ্যাডওয়ার্ড স্পেন্সার ছিলেন রাজা চার্লস দ্বিতীয় এর বংশধর। মাফ্রান্সিস ভিসকাউটেস অ্যালথর্প একজন মার্কিন বংশদ্ভূত রাজ পরিবারের সদস্য।

ডায়ানা যখন খুব ছোট তখন তার বাবা-মার সম্পর্ক ভেঙে যায়। পরে আদালতে এক তিক্ত বিতর্কের পর তিনি তার বাবার হেফাজতে চলে যান। ছাত্র হিসাবে তিনি তেমন উজ্জ্বল ছিলেন না, কিন্তু গান ও সঙ্গীতে তার ভালো দখল ছিল।

যখন হবু স্বামী রাজপুত্র চার্লসের সাথে তার পরিচয় হয়, তখন তিনি লন্ডনে একটি নার্সারি স্কুলের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক ছিলেন।

১৯৮১ সালে ডায়ানা প্রিন্স চার্লসকে বিয়ে করেন। তখন চার্লস তার থেকে ১৩ বছরের বড়। প্রায় এক বিলিয়ন লোক তাদের রাজকীয় বিয়ের অনুষ্ঠান উপভোগ করেছিল।

কিন্তু তাদের সংসার বেশি দূর গড়ায়নি। ১৯৯২ সালেই প্রিন্স চার্লসের সাথে তার সম্পর্কের ইতি ঘটে। এ ঘটনার পর তিনি মানসিকভাবে একেবারে ভেঙে পড়েন। ফলে তার মধ্যে হতাশা ও বিষণ্ণতাসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়।

ওয়েলসের রাজকুমারী হিসেবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ডায়না উপস্থিত থাকতেন। এর সুবাদে তিনি বিভিন্ন ধরনের সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন।

বিশেষ করে অসুস্থদের প্রতি ছিল তার অকৃত্রিম সহানুভূতি ও ভালোবাসা। একজন বিখ্যাত সেলিব্রেটি হয়েও এইডস রোগীদের সঙ্গে তার সর্বাধিক ফটোগ্রাফের রেকর্ড বেশ প্রশংসনীয় ছিল।

কারণ ওই সময় একটা বদ্ধমূল ধারণা ছিল যে কেবল সংস্পর্শের মাধ্যমেই এইডস ছড়ায়। ডায়ানা মানুষের এই ধারণাকে বদলে দিয়েছিলেন।

মানবকল্যাণে ডায়ানার আরেকটি অসামান্য অবদান হলো- বিশ্বব্যাপী স্থলমাইন নিষিদ্ধ করণে তার ব্যাপক প্রচারণা। ১৯৯৭ সালে অ্যাঙ্গোলায় স্থলমাইন অপসারণ তদন্ত করতে ডায়ানা নিজেই মাইন ক্ষেত্র পরিদর্শন করেছিলেন।

তার মৃত্যুর পর স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক বিখ্যাত অটোয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তি সম্পাদনে ডায়ানার প্রচারণা ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিল বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।

মৃত্যুর কিছুদিন আগে ১৯৯৭ সালের ১৮ জুন তিনি মাদার তেরেসার সঙ্গে দেখা করেন। মাদার তেরেসা প্রিন্সেস ডায়ানার খুব প্রশংসা করেন।

ডায়ানা সম্পর্কে মাদার তেরেসা সবসময় বলতেন, “ডায়ানা আমার মেয়ে”। অন্যদিকে “মাদার তেরেসার কাছে আমি অতি ক্ষুদ্র”- এই বলে মাদার তেরেসাকে সম্মান জানাতেন প্রিন্সেস ডায়ানা।

ব্যক্তিগত জীবনে নানা সংকট থাকা সত্ত্বেও তিনি ছিলেন খুব জনপ্রিয়। কারণ মানুষ তাকে চিনতে পেরেছিল। সমাজসেবায় তার অবদান রাজ পরিবার সম্পর্কে এক নতুন ধারণার জন্ম দিয়েছিল যে প্রকৃত শাসক কখনো প্রজা থেকে দূরে থাকতে পারে না।

ডায়ানা বলতেন, ‘প্রত্যেক ব্যক্তিকে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। সুযোগ পেলে প্রত্যেকেই ভালো কিছু করে দেখাতে পারে।’

১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট প্যারিসে এক সড়ক দুর্ঘটনায় ডায়ানা মারা যান।

ধারণা করা হয় তার মৃত্যু নিছক দুর্ঘটনা ছিল না। কারণ যে গাড়ির সঙ্গে তার গাড়ির সংঘর্ষ হয়েছিল তার চালক দোদি আল-ফায়েদ ওই সময় মাদকাসক্ত ছিলেন। তবে তার মৃত্যু আজও বিশ্ববাসীর কাছে রহস্যই রয়ে গেল।

ডায়ানার মৃত্যু ব্রিটিশ জনগণের পাশাপাশি অন্যান্য দেশেও গভীর প্রভাব ফেলেছিল। এ ঘটনা বিশ্ববাসীর হৃদয়ে এক অভূতপূর্ব দুঃখ ও সহানুভূতির জন্ম দিয়েছিল।

সেদিন তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে লাখ লাখ ফুলের তোড়ায় ভরে গিয়েছিল রাজ প্রাসাদ বাকিংহাম প্যালেস। তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের সাক্ষী হয়েছিল লাখো জনতা।

ডায়ানা সম্পর্কে শ্রী চিন্ময় বলেন, “প্রিন্সেস ডায়ানা, তোমার মমতাময়ী হৃদয় বিশ্বের এ প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত আবৃত করে রেখেছে। একটা সময় আসবে যখন সারা বিশ্ব তোমার যথাযথ মূল্যায়ন করবে, আরও বেশি প্রেমময় করে, আরও বেশী হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা দিয়ে”।

 

৬৮ হাজার গৃহহীন পরিবার পাবে সরকারি বাড়ি

৬৮ হাজার গৃহহীন পরিবার পাবে সরকারি বাড়ি

মুজিববর্ষ উপলক্ষে দেশের ৬৮ হাজার ৩৮টি গ্রামে একটি করে দুস্থ

‘এক-দুই সন্তান নীতি’ প্রত্যাশা ও প্রভাব

‘এক-দুই সন্তান নীতি’ প্রত্যাশা ও প্রভাব

চীনের one-child policy (এক সন্তান নীতি) সম্পর্কে আমরা মোটামুটি সবাই

শুধু গ্রীষ্মে নয়, পানি শূন্যতা হতে পারে শীতেও

শুধু গ্রীষ্মে নয়, পানি শূন্যতা হতে পারে শীতেও

শরীরে পানিশূন্যতা বা পানির স্বল্পতাকে ডাক্তারি পরিভাষায় বলে ডিহাইড্রেশন। একজন

রাজনীতি

তাবিথের প্রচারে হামলার অভিযোগ

তাবিথের প্রচারে হামলার অভিযোগ

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের প্রচারে হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রাজনীতি

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক আর নেই

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক আর নেই

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের বর্তমান সাংসদ ও সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

অর্থনীতি

৩২৯ উপজেলায় নির্মাণ হবে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ

৩২৯ উপজেলায় নির্মাণ হবে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ

দেশের ৩২৯টি উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (টিএসসি) নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ২০ হাজার ৫২৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ব্যয় হবে। চলতি মাস থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান এ তথ্য জানান।

জাতীয়

চীনে দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনাভাইরাস : বাংলাদেশেও সতর্কতা   

চীনে দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনাভাইরাস : বাংলাদেশেও সতর্কতা  

চীনে উদ্ভূত আলোচিত ‘করোনাভাইরাস’ খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। মানুষ থেকে মানুষের মাঝে এই ভাইরাস ছড়াচ্ছে বলে চীনের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। এদিকে ‘করোনাভাইরাস’ আতঙ্কে বাংলাদেশেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে বিমানবন্দরগুলোতে আগত চীনা নাগরিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

রাজনীতি

গাইবান্ধা-৩ আসনে উপনির্বাচনে আ.লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী যারা

গাইবান্ধা-৩ আসনে উপনির্বাচনে আ.লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী যারা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্ল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য ডা. ইউনুস আলী সরকারের মৃত্যুতে আসনটি শূন্য ঘোষণা করেছে সংসদ সচিবালয়। তার মৃত্যুতে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এই আসনে।

বিনোদন

হিনা খানের ভিডিও ভাইরাল (ভিডিওসহ)

হিনা খানের ভিডিও ভাইরাল (ভিডিওসহ)

ভারতের অভিনেত্রী হিনা খান। সম্প্রতি তার একটি গোপন ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে তার ব্যক্তিগত অনেক কিছু সামনে চলে এসেছে।