টলিপাড়ার বন্ধুত্ব ও পরোপকারের গল্প এইবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। দেবলীনা নন্দী এক বিপদপূর্ণ রাতে ঘুমের ওষুধের প্রভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর প্রথম যে মানুষের দিকে ফোনে হাত বাড়ালেন, তিনি হলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী। বন্ধুকে বাঁচানোর তৎপরতায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন সায়ক, আর সেই চেষ্টা বরাতজোরে জীবন রক্ষা করেছিল দেবলীনার।
কিন্তু এই বন্ধুত্বের সমীকরণ নেটপাড়ায় উল্টো দিকে ঘুরছে। পরোপকার করেও ‘ঘরভাঙানি’ তকমা কেটেছে সায়কের কানে। অনেকে অভিযোগ তুলেছেন, দেবলীনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে নাকি তাঁর দাম্পত্যে ফাটল ধরেছে। এই ধরনের মন্তব্য সায়কের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। বন্ধুর পাশে দাঁড়িয়ে, নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে ফেসবুক লাইভে তিনি জানালেন, “দেবলীনা আমার বন্ধু। রুচিসম্পন্ন লোকেরা সম্পর্কটাকে এভাবেই দেখবেন। তবে অনেকেই হয়তো মনে করেন বন্ধু মানেই একটু ‘করে আসি’। কিন্তু আমি সেরকম নই। কোনো নারী কখনও বলতে পারবে না যে আমি তাকে অশালীন মেসেজ পাঠিয়েছি। আর দেবলীনার বিয়ে ভাঙার হলে আগেই ভাঙতাম। তাহলে ওর বিয়েতে গিয়ে নাচানাচি করতাম না।”
সায়ক কটাক্ষকারীদের উদ্দেশে আরও বলেন, “দেবলীনা স্বপ্রতিষ্ঠিত। নিজের চেষ্টায় এতদূর এসেছে। তাই তার কোনও ভনিতা বা নাটক করার দরকার নেই। কারণ ও কোনও রিয়ালিটি শো থেকে উঠে আসেনি।” এই মন্তব্যে স্পষ্ট হয়ে গেছে, বন্ধুত্ব ও প্রফেশনাল সম্পর্ককে কেউ কৃত্রিম কল্পনার সঙ্গে মেলাতে পারবে না।
দেবলীনার সঙ্গে সায়কের বন্ধুত্ব কেবল ব্যক্তিগত সম্বন্ধ নয়, বরং বিপদে পরস্পরের পাশে থাকা, সাহায্য ও সমর্থনের গল্প। তবে টলিপাড়ার এই বন্ধুত্ব এখন নেটপাড়ার কটাক্ষ ও গুঞ্জনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সত্যিকারের বন্ধুত্ব কি কখনও সমালোচনার শিকার হতে পারে, সেই প্রশ্ন এখন তোলার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
পিআর/টিএ