নোয়াখালীর প্রথম কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি খেলছে চলমান দ্বাদশ বিপিএলে। যদিও এখন পর্যন্ত ৫ ম্যাচ খেলে ফেললেও জয়ের স্বাদ পায়নি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। সর্বশেষ ম্যাচে গতকাল (বুধবার) ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ৭ উইকেটে হেরেছে। এই ম্যাচটিতেই অভিষেক হয়েছে ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকতা দেখিয়ে বিপিএলে ডাক পাওয়া আবু হাশিমের। ২ ওভারে ৮ রান দিলেও দলের হারে তার অভিষেকটা সুখকর হয়নি।
ঢাকার বিপক্ষে যথারীতি ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে নোয়াখালী। টপ ও মিডল অর্ডারে ব্যাটারদের কেউই বলার মতো কিছু করতে পারেননি। শেষদিকে হায়দার আলির ৪৭ ও মোহাম্মদ নবির ৪২ রানে ভর করে ১৩৩ রানের পুঁজি পায় চট্টগ্রাম। সেই লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নাসির হোসেনের ৯০ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে বড় জয় নিশ্চিত করে ঢাকা। ডানহাতি এই তারকা মাত্র ২১ বলে ফিফটি ছুঁয়েছেন নাসির, যা এবারের আসরের দ্রুততম ফিফটি।
পরীতে, নোয়াখালীর আরেকটি বিপর্যস্ত দিনে বিপিএলে অভিষেক হয়ে গেল আবু হাশিমের। ঘরোয়া ক্রিকেটে গত এক বছরে দারুণ ধারাবাহিক হাশিম। ভালো করেছেন এনসিএল টি-টোয়েন্টিতেও। সেই সুবাদে ২৯ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার এবার বিপিএলেও সুযোগ পেয়েছেন। ম্যাচ পরিবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসে হাশিম বলেন, ‘এরকম বড় আসরে খেলা অবশ্যই চ্যালেঞ্জের বিষয়, শুরু (অভিষেক) হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। (বিপিএল) নিলামের সময় এনসিএল চলছিল। দল পাওয়ার পর এক্সাইটেড ছিল সবাই। বোলিং তো করতেই হবে, মেইন রোল। চেষ্টা করি নিজের কাজটা করার।’
এর আগের ম্যাচে সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে মাত্র ৬১ রানে অলআউট হয়েছিল নোয়াখালী। সর্বোচ্চ ১৩০-৪০ এর গণ্ডিতে ঘোরাফেরা করে তাদের রান। দলের এই ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণ নিয়ে হাশিম বলেন, ‘আসলে কারণ তো বলা কঠিন। প্রস্তুতি বলতে সময় পেলে ব্যাটিং অনুশীলন তো করা হয়। এখন (ম্যাচে কেন পারছে না) বলা মুশকিল। ব্যাটারদের জন্য নিজস্ব প্ল্যান (থাকে)। মাঠে গিয়ে হয়তো সেভাবে এক্সিকিউট করতে পারছে না।’
প্রসঙ্গত, এখন পর্যন্ত চলতি বিপিএলে ৫ ম্যাচ খেলে ফেললেও কোনো জয় পায়নি নোয়াখালী। ফলে ৬ দলের এই প্রতিযোগিতায় তাদের অবস্থান টেবিলের তলানিতে। এখান থেকে অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়াতে না পারলে অভিষেক আসরে খেলতে নেমেই বিদায়ের শঙ্কায় রয়েছে নোয়াখালীর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
এসকে/এসএন