ডিফেন্ডার মাইকেল কিনের লাল কার্ডের বিরুদ্ধে ক্লাবের আপিল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এফএ) প্যানেল খারিজ করে দেওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছে এভারটন। রায় মেনে নিলেও এমন সিদ্ধান্তে ভীষণ অবাক হওয়ার কথা জানিয়েছে ক্লাবটি।
প্রিমিয়ার লিগের দলটি শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেছে, কিনের তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ‘স্পষ্টতই খুব বেশি হয়ে গেছে।’ গত বুধবার লিগে এভারটন ও উলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্সের ১-১ ড্র ম্যাচের ঘটনা এটি। প্রতিপক্ষের তলু আরোকোদারের চুল টেনে ধরার জন্য ভিএআর (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) পর্যালোচনার পর মনিটরে রিপ্লে দেখে কিনকে লাল কার্ড দেখান রেফারি।
খেলার আইনে চুল টানার কথা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা নেই, তবে এটিকে সহিংস আচরণ হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন ৩২ বছর বয়সী সেন্টার-ব্যাক কিন।
এফএ কাপে শনিবার সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে এবং প্রিমিয়ার লিগে অ্যাস্টন ভিলা ও লিডস ইউনাইটেডের বিপক্ষে তাকে পাবে না এভারটন।
আপিল খারিজের বিষয়ে এভারটন হতাশা প্রকাশ করে বিবৃতি দেওয়ার পরপরই এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির কোচ ডেভিড ময়েস বলেন, তিন সদস্যের এফএ প্যানেলের সিদ্ধান্তে তিনি ক্ষুব্ধ এবং মাঠের রেফারি টম কার্ককে ঘটনাটি পর্যালোচনা করার নির্দেশ দেওয়ায় ভিএআর নিয়ে তিনি বিব্রত।
ময়েস একই সঙ্গে বৃহস্পতিবার আর্সেনাল ও লিভারপুলের লিগ ম্যাচের একটি ঘটনার কথাও উল্লেখ করেন, যেখানে গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি চোট পাওয়া কনর ব্র্যাডলিকে মাঠ থেকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।
“আমি খুবই হতাশ। খুবই অবাক। সম্ভবত প্যানেলের ওপর বেশি ক্ষুব্ধ, যারা ভেবেছিল যে ঘটনাটি এমন। তিন জনকে প্রশ্ন করতে হবে। আমি জানি এই তিন জন কারা।”
“গত রাতে আমরা দেখেছি যে, কারো দিকে বল ছুড়ে মারা ঠিক আছে, গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত কাউকে ধাক্কা দেওয়া ঠিক আছে। কিন্তু দুর্ঘটনাক্রমে কারো চুলে সামান্য টান দেওয়া মানে তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা আমার কাছে আশ্চর্যজনক।”
ময়েস বলেন, তিন ম্যাচ কেন, এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পাওয়াও উচিত ছিল না এই ঘটনার জন্য। এখানে ভিএআরের সম্পৃক্ত হওয়া মোটেও উচিত হয়নি বলে মনে করেন তিনি।
এসএস/টিএ