আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জেটের আসন সমঝোতায় ২৫৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা হয়েছে। জোটের অংশ হিসেবে আমার বাংলাদেশ-এবি পার্টি তিনটি আসনে প্রার্থী দেবে। ১১ দলীয় জোট গুলো কে কোন আসনে নির্বাচন করবে সেই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক না জানালেও জোটের দায়িত্বশীল একটি সূত্র আসনগুলোর তালিকা দিয়েছে।
এবি পার্টির পাওয়া তিন আসন হলো- পটুয়াখালী-১ (পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি উপজেলা), বরিশাল-৩ (বাকেরগঞ্জ ও মুলাদী উপজেলা) এবং ফেনী-২ (ফেনী সদর উপজেলা)।
এদিকে খেলাফত মজলিস যে আসনগুলো পেয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- সিরাজগঞ্জ-৩, ময়মনসিংহ-২, নেত্রকোনা-১, কিশোরগঞ্জ-৩, মানিকগঞ্জ-৩, ঢাকা-১৩, গাজীপুর-৩, নরসিংদী-৩, ফরিদপুর-২, গোপালগঞ্জ-২, মাদারীপুর-২, শরীয়তপুর-১, সুনামগঞ্জ-৩, মৌলভীবাজার-৪, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫, চাঁদপুর-১, চট্টগ্রাম-৫, রাঙামাটি, কিশোরগঞ্জ-১ এবং ফরিদপুর-৪। দলীয় সূত্র জানায়, এসব আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নিজস্ব প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আসন ভাগাভাগির বিষয়ে জানান জামায়াতে ইসরামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, মোট ২৫৩ আসনে সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। এরমধ্যে নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৭৯ আসন থেকে লড়বে। পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে লড়বে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি ও এলডিপি ৭টি আসনে লড়বে।
অন্যদিকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ২টি ও নেজাম ইসলাম পার্টি ২টি আসনে লড়বে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে আসন সমঝোতা নিয়ে সম্প্রতি কয়েক দফায় বৈঠক করে জোটে থাকা দলগুলো। পরবর্তীতে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আসন সমঝোতার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা দেয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগেই সেই সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করা হয়।
সবশেষ বৃহস্পতিবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ছাড়া বাকি ১০টি দলের নেতৃবৃন্দদের উপস্থিতে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে সেই বৈঠকের মধ্যেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট। পরবর্তীতে সেই বৈঠক শেষে রাতেই জোটের আসন সমঝোতার বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার কথা জানানো হয়।
এমআই/এসএন