মানিকগঞ্জবাসীর উন্নয়নে যে মানুষটি আজীবন নিরালসভাবে কাজ করে গেছেন তাঁর নাম শামসুল ইসলাম খাঁন (নয়া মিয়া)। তিনি নয়া মিয়া নামেই মানুষের কাছে বেশি পরিচিত ছিলেন।
আজ ২২ জানুয়ারি এই ক্ষনজন্মা কীর্তিমান মানুষটির ২০তম মৃত্যুবাষির্কী। ২০০৬ সালের এই দিনে না ফেরার দেশে পারি জমান বর্ষিয়ান এ রাজনীতিবিদ।
১৯৩০ সালে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার চারিগ্রাম গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। মৃত্যুর ১৯ বছর পরেও শামসুল ইসলাম খাঁন নয়া মিয়ার সততা, দেশপ্রেম এবং রাজনৈতিক দর্শন দক্ষিণ মানিকগঞ্জের মানুষের কাছে ধ্রুবতারার মতো উজ্জ্বল।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খাঁন শান্তর বাবা শামসুল ইসলাম খাঁন (নয়া মিয়া)। তিনি এই আসন থেকে টানা চারবার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
দক্ষিণ মানিকগঞ্জের সব জায়গায় রয়েছে তাঁর উন্নয়নের স্মৃতি চিহ্ন। তিনি মানিকগঞ্জের মাটি ও মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে আমৃত্যু কাজ করে গেছেন। তাঁর উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে সিংগাইর তথা দক্ষিণ মানিকগঞ্জের আনাচে-কানাচে।
পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছরই দলীয় ও পারিবারিকভাবে পালন করা হয় তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী।
এবারও এই বর্ষিয়ান রাজনৈতিক নেতার স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তাঁর পরিবার। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মরহুমের কবর জিয়ারত, বিভিন্ন মসজিদ, ঢাকা ও গ্রামের বাড়িতে কোরআনখানি এবং দোয়ার মাহফিল।
শামসুল ইসলাম খাঁন নয়া মিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দক্ষিণ মানিকগঞ্জের সর্বস্তরের জনগণ ও দেশবাসীর নিকট দোয়া চেয়েছেন তার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খাঁন শান্ত।
পিএ/টিএ