বলিউড এবং টলিউডের অভিনেত্রীরা শুধু অভিনয়ে নয়, সৌন্দর্য বজায় রাখাতেও বিশেষ সচেতন। নানান ধরনের ফেসিয়াল সার্জারি, লিপ ফিলার্স, বোটক্স এবং নোজ জবের মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের চেহারা পাল্টান। এই প্রবণতা সম্প্রতি আরও চোখে পড়েছে, যেখানে অনেক তারকা তাদের সৌন্দর্য বজায় রাখতে ফেসবুক এবং অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা তৈরি করেছেন।
বলিউডে প্রথমেই নজর কাড়েন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ২০০১ সালে নাকের পলিপ অপারেশনের জটিলতার পর তিনি নাকের গঠন পরিবর্তন করেন। অনুষ্কা শর্মা ‘বম্বে ভেলভেট’ ছবির জন্য লিপ এনহ্যান্সমেন্ট করিয়েছিলেন। শিল্পা শেট্টি নাকের দুটি অস্ত্রোপচার করেন। করিনা কাপুর নাক, বোটক্স ও চিক ফিলার্সের কথা স্বীকার না করলেও গুঞ্জন রয়েছে। ক্যাটরিনা কাইফের নাক, ঠোঁট ও গালের পরিবর্তনের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
কঙ্গনা রানাও একাধিক বোটক্স করিয়েছেন বলে শোনা যায়। মৌনী রায় কপাল ও ঠোঁটের অস্ত্রোপচারের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুলেছেন। নোরা ফতেহি নাক, ঠোঁট, ভ্রূ ও চিবুকের পরিবর্তনের জন্য অস্ত্রোপচার করেছেন বলে শোনা গেলেও অভিনেত্রী নিজে সেগুলো অস্বীকার করেছেন।
আলিয়া ভাট কসমেটিক সার্জারির গুঞ্জনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।
টলিউডেও এই প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় ও মিমি চক্রবর্তী ঠোঁটের অস্ত্রোপচার করেছেন বলে জানা গেছে। এই সমস্ত সার্জারির মাধ্যমে অভিনেত্রীরা তাদের চেহারার নতুন মাত্রা যোগ করেন এবং পর্দার আড়ালে নিজেদের আত্মবিশ্বাস ও প্রকাশ্য সৌন্দর্য বাড়ান।
পিআর/টিকে