‘৫ আগস্টের পর যে সমস্ত অস্ত্রাগার লুট হয়েছে, জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার করলেই অস্ত্রের সন্ধান পাওয়া যাবে’ এমন মন্তব্য করেছেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মো. হারুনুর রশীদ।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দেবীনগর ইউনিয়নের হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হারুনুর রশীদ বলেন, ‘পরশুদিন না গতকাল শুনলাম, নূরুল ইসলাম বুলবুল- যিনি এখানে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রানিহাটিতে মিটিং করতে গিয়ে বলেছেন, “আপনাদের লাফালাফি বন্ধ করার জন্য একটি ঘোষণাই যথেষ্ট”। কত বড় দুঃসাহস! আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, এর কয়েকদিন আগে আরেকজন বলেছিল, ওদের এমপি প্রার্থী লতিফ- না, শেরেবাংলা হলে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সমস্ত অস্ত্র মজুদ আছে, তা দিয়ে নাকি তাদের ওয়ান-টু ব্যাপার।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই ৫ আগস্টের পর যে সমস্ত অস্ত্রাগার লুট হয়েছে, জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার করলেই সেসব অস্ত্রের সন্ধান পাওয়া যাবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নড়বড়ে অবস্থায় আছে। এখন পর্যন্ত যে সমস্ত অস্ত্র লুট হয়েছে-চাঁপাইনবাবগঞ্জে অস্ত্রাগার লুট হয়েছিল। আমি সেদিন নবাবগঞ্জে ছিলাম। এসপি অফিস তারা ঘেরাও করে রেখেছে, আর ওদিকে অস্ত্র লুট হচ্ছে। আমি নিশ্চিত, এর সঙ্গে জামায়াতের কর্মীরা জড়িত। দেশে যে সমস্ত বিশৃঙ্খলা ও মব তৈরির ঘটনা ঘটছে, তার পেছনেও তারা রয়েছে।’
প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি প্রশাসনকে অনুরোধ জানাব, সেনাবাহিনী ও র্যাবকে অনুরোধ করবো- প্রযুক্তির মাধ্যমে এই সমস্ত অস্ত্র উদ্ধারের দ্রুত ব্যবস্থা করুন। না হলে এই সমস্ত হুংকার তারা কীভাবে দেয়?’
জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক এমপি ও বিএনপি নেত্রী সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়াসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এসএস/টিএ