খুব অল্প বয়সেই শোবিজে পা রেখেছিলেন সঞ্জনা সাংঘী। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে তার ফ্যাশন সেন্স। সম্প্রতি এক বিশেষ ফটোশুটে অভিনেত্রী জানান দিল্লি ও মুম্বাইয়ের ফ্যাশনের পার্থক্য, নিজের স্টাইলের বিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতীয় পোশাক তুলে ধরার অভিজ্ঞতা।
সঞ্জনা বলেন, ‘চার বছর আগে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ শুরু করার সময় মনে হতো ফ্যাশনের জন্য আলাদা একটা এনার্জি তৈরি করতে হবে। কিন্তু গত দুবছরে আমার ব্যক্তিগত স্টাইল নিয়ে আমি অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়েছি। সময়ের সঙ্গে নিজের স্টাইলকে চেনাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।’
নিজের ফ্যাশন সেন্স সম্পর্কে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি বরাবরই ক্লাসিক স্টাইল পছন্দ করি। একটা সাধারণ সাদা শার্ট আর নীল জিন্সের মতো পোশাকের আবেদন কখনও কমে না। এখন আমি সেই সহজ, সাবলীল আর ক্লাসিক ভাবটাই আমার প্রতিটি লুকে নিয়ে আসার চেষ্টা করি।’
জাতিসংঘের যুব রাষ্ট্রদূত হিসেবে বহুবার ভারতীয় ফ্যাশনকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছেন সঞ্জনা। বিষয়টিকে তিনি গর্বের বলে মনে করেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক, জাতিসংঘ, নিউ ইয়র্ক ও ওয়াশিংটনের মতো জায়গায় যখন উপস্থিত থেকেছি তখন সবসময় চেষ্টা করেছি এমন পোশাক পরতে যা ভারতের ঐতিহ্য ও গৌরবকে তুলে ধরে।’
তিনি আরও জানান, ‘বিশ্ব মঞ্চে ভারতীয় পোশাক নিয়ে দারুণ আগ্রহ দেখা যায়। আমাদের শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ বা ভারতীয় সিলুয়েটগুলো বিশ্বজুড়ে মানুষ চেনেন এবং সেখান থেকে অনুপ্রেরণা নেন। তাই এমন সম্মানজনক জায়গায় শাড়ি বা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরতেই আমি বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করি। প্রতিবারই ভারতের একটা ছোঁয়া রাখার চেষ্টা করি।’
দিল্লিতে বড় হওয়া এবং বর্তমানে মুম্বাইয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে দুই শহরের ফ্যাশনের পার্থক্যও তুলে ধরেন সঞ্জনা। তিনি বলেন, ‘দিল্লির মানুষ সাজতে ভালোবাসে-এটা নতুন কিছু নয়। আমরা সাজগোজে কখনো পিছপা হই না। অন্যদিকে মুম্বাইয়ের স্টাইল অনেক বেশি আরামদায়ক ও সহজ। তাই আমি মুম্বাইয়ের পোশাকে দিল্লির খানিকটা ছোঁয়া রেখে দেই কারণ শেষ পর্যন্ত আমি তো দিল্লির মেয়ে।’
‘দিল বেচারা’ ছবির মাধ্যমে প্রথম নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন সঞ্জনা সাংঘী
‘দিল বেচারা’ ছবির মাধ্যমে প্রথম নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন সঞ্জনা সাংঘী। এই ছবিটি তাকে রাতারাতি জনপ্রিয়তা এনে দেয়। এরপর ‘রাষ্ট্র কবচ ওম’, ‘ধাক ধাক গার্ল’, ‘কাড়াক সিং’, ‘ও ভি দিন থে’র মতো হিট ছবিতে অভিনয় করেন।
পিআর/এসএন