সাত বছরের অপেক্ষা শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি জিতেছিল পাকিস্তান। একদিন পর লাহোরে জয়ের ধারা ধরে রাখল স্বাগতিকরা। সালমান আগা ও উসমান খানের হাফ সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বোচ্চ রান জমা করে তারা। তারপর আবরার আহমেদ ও শাদাব খানের বোলিংয়ে একশ পার করে অলআউট অস্ট্রেলিয়া।
আজ (শনিবার) দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৯০ রানে জিতেছে পাকিস্তান। আগে ব্যাটিং করে ১৯৮ রান করে তারা। তারপর ১০৮ রানে সফরকারীদের গুটিয়ে দিয়ে এক ম্যাচ আগেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা। অজিদের বিপক্ষে ২০১৮ সালের পর এটি প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়।
১৭ রানে সাহিবজাদা ফারহান ও সাইম আইয়ুবের ওপেনিং জুটি ভাঙে। সাহিবজাদা ৫ রানে আউট হন। সালমান দ্বিতীয় উইকেটে ঝড় তোলেন। সাইমের সঙ্গে ২৫ বলে ৫৫ রান তোলার পথে একাই ১৯ বলে ৪৪ রান করেন তিনি। সাইম ১১ বলে ২৩ রানে থামেন। বিশ্বকাপের আগে নিজেকে প্রমাণের আরেকটি সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ বাবর আজম। ৫ বলে ২ রান করে আউট তিনি।
পাঁচ রানের ব্যবধানে জোড়া আঘাতের পর উসমানের সঙ্গে সালমান ৪৯ রানের জুটি গড়েন। ১৩তম ওভারে তিনি আউট হওয়ার আগে ৪০ বলে ৭৬ রান করেন, ইনিংসে ছিল ৮ চার ও ৪ ছয়। ২৫ বলে ফিফটি করেছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক।
তারপর শাদাব খান ও উসমানের ৩৯ বলে ৬৩ রানের জুটিতে বড় সংগ্রহ নিশ্চিত করে পাকিস্তান। ৩৫ বলে ৫০ রান করা উসমান থেমেছেন আরেকটি বল খেলে। ফিফটি করার পরের বলে ৫৩ রানে বিদায় নেন তিনি। শেষ দিকে শাদাব ও মোহাম্মদ নওয়াজের ৪ বলে ১০ রানে অপরাজিত জুটি কার্যকর ভূমিকা রাখে। ২০ বলে ২৮ রানে শাদাব ও নওয়াজ ৩ বলে ৯ রানে অপরাজিত ছিলেন।
বড় লক্ষ্যে নেমে অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিং ধসের মুখে পড়ে। ৫৪ রান করতেই নেই অর্ধেক ব্যাটার। প্রথম ছয় ব্যাটারের মধ্যে কেবল মিচেল মার্শ (১৮) ও ক্যামেরন গ্রিন (৩৫) দুই অঙ্কের ঘরে রান করেন।
অস্ট্রেলিয়া বাকি পাঁচ উইকেটও হারিয়েছে ৫৪ রান করতেই। গ্রিনের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন ম্যাথু শর্ট। এছাড়া দুই অঙ্কের ঘরে রান তোলেন জাভিয়ের বার্টলেট (১০)।
আবরার ৩ ওভারে ১৪ রান খরচায় তিন উইকেট নেন। ১৪তম ওভারে পরপর দুটি উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগানো শাদাব ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে সমান সংখ্যক উইকেট পান।
আরআই/টিকে