© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

এপস্টেইন ফাইলে মাইকেল জ্যাকসনের নাম!

শেয়ার করুন:
এপস্টেইন ফাইলে মাইকেল জ্যাকসনের নাম!

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:৫২ পিএম | ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
মৃত্যুর পরও বিতর্কে পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসন। আদালতের রায় কিংবা কিংবদন্তির মর্যাদাও থামাতে পারছে না এই বিতর্কের ঢেউ। যুক্তরাষ্ট্রে আলোচিত তথাকথিত ‘এপস্টেইন ফাইল’ প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে ঝড় তুলেছে একাধিক নাম। আর সেই তালিকায় উঠে এসেছে পপসংগীতের অবিসংবাদিত কিংবদন্তি মাইকেল জ্যাকসনের নামও।

প্রমাণহীন অভিযোগ আর জল্পনা-কল্পনার আগুনে ফের উত্তাল নেটদুনিয়া, প্রশ্ন উঠছে- কিংবদন্তির ছায়া কি এবার আরও গাঢ় হবে?

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে জেফ্রি এপস্টেইন সংক্রান্ত নথি প্রকাশ ও তা নিয়ে শুরু হওয়া আলোচনার সূত্র ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দাবি করা হচ্ছে, ওই নথিতে মাইকেল জ্যাকসনের নাম উল্লেখ রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র ও আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের দাবির সত্যতা যাচাই ছাড়া কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়।

মাইকেল জ্যাকসনের পরিবার এবং তার উত্তরাধিকার রক্ষাকারী সংস্থাও বিষয়টি নিয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। তারা আগেও একাধিকবার জানিয়েছে, শিল্পীর বিরুদ্ধে অতীতে ওঠা অনেক অভিযোগই আদালতে প্রমাণিত হয়নি কিংবা ভিত্তিহীন হিসেবে খারিজ হয়েছে। এপস্টেইন সংক্রান্ত নতুন আলোচনার ক্ষেত্রেও এখন পর্যন্ত জ্যাকসনের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে কোনো সরকারি নথি বা আদালতের বক্তব্য প্রকাশ পায়নি বলে তারা দাবি করছে।



বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অসমর্থিত দাবি ও গুজব যাচাই না করে বিশ্বাস করা বিভ্রান্তিকর এবং ক্ষতিকর হতে পারে। এপস্টেইন কাণ্ডে যেসব নথি ধীরে ধীরে প্রকাশ পাচ্ছে, সেগুলোর সত্যতা, আইনগত গুরুত্ব ও প্রেক্ষাপট যাচাই করেই বিষয়গুলো মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে ভবিষ্যতে যদি কোনো নতুন ও প্রামাণ্য তথ্য সামনে আসে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই চূড়ান্ত অবস্থান স্পষ্ট করবে-এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আপাতত, কিং অব পপের নাম ঘিরে নতুন এই বিতর্ক সত্যের চেয়ে গুজবেই বেশি ভর করছে বলে মত বিশ্লেষকদের।

উল্লেখ্য, কুখ্যাত ধনকুবের জেফ্রি এপস্টেইনের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন ও মানবপাচারের অভিযোগ ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই তদন্ত ও আইনি লড়াই চলছে। এই মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন নথি, সাক্ষ্য ও আদালতের কাগজপত্র প্রকাশের প্রক্রিয়ায় ইতোমধ্যে বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম আলোচনায় এসেছে। তবে আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো নথিতে কারও নাম থাকা মানেই তাকে অপরাধে জড়িত হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না- এক্ষেত্রে প্রেক্ষাপট ও প্রমাণই মুখ্য।

কেএন/টিকে

মন্তব্য করুন