বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়ক আব্দুস সালাম বলেন, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে জামাতের মাথা তত খারাপ হচ্ছে। আর মাত্র কয়েকদিন আছে তাই তাদের মাথা কাজ করছে না। এখনি বসে পড়েন না হয় ১২ তারিখের পর শুয়ে পড়বেন।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা-১৭ আসনে মিছিল পূর্ব এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুস সালাম বলেন, ক্যান্টনমেন্টে যা হয়েছে তা ন্যাক্কারজনক। এতে জামাতের মুখোশ উন্মোচন হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় তারা এই সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। জামাত নেতা যা বলেছেন তাতে তার বিচার হতে হবে। সে যে ভাষায় কথা বলেছেন এটা হতে পারে না। তিনি জামাতের প্রার্থীর চেয়ে তারেক রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী এই পরিচয় বেশি দিয়েছেন।
পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া করতে চাই না- মন্তব্য করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে তারেক রহমানের ব্যাপারে কিছু বললে সাবধানে বলবেন, সম্মানের সঙ্গে বলবেন। তারেক রহমান কোনো কর্মী না, তিনি আগামীর অবশ্যম্ভাবী প্রধানমন্ত্রী।
তারা দেশটাকে আফগানিস্তান বানাতে চায়, ফিলিস্তিন বানাতে চায়। তারা নারীদের বলেছে শ্রমঘণ্টা কমিয়ে দিতে, তার মানে হলো তাদের ঘরে রাখা। নারীদের চাকরি করার অধিকার রাখতে হলে বিএনপিকে ভোট দিতে হবে।
এই বিএনপি নেতা বলেন, জামায়াত হলো পরিক্ষিত বেইমান। যখন পাকিস্তান হয় তখন পাকিস্তানের বিরোধিতা করেছে, যখন বাংলাদেশ হয় তখন বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছে। জামায়াত ষড়যন্ত্র করছে যাতে দেশে অরাজকতা লাগাতে চায়। তাই সকালে ভোট দেয়ার পর সেন্টার পাহারা দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, গুপ্ত পার্টি করছেন, প্রকাশ্য রাজনীতি এখনও বুঝেন নাই। দেশে আজকে অর্থনীতির অবস্থা খারাপ, সবকিছুর অবস্থা খারাপ। সেখান থেকে দেশকে বাঁচাতে হবে নির্বাচিত সরকার দরকার।
এমআই/এসএন