একেবারেই অচেনা এক নাম। বলা চলে সিলেবাসের অনেক বাইরে থেকে আসা এক প্রশ্ন। লখনৌ সুপার জায়ান্টস খেলার মাঠে যাদের জন্য প্রস্তুত হয়ে এসেছিল, ভিপরাজ নিগাম তাদের একজন নয়, এটা নিশ্চিত। দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে এই ম্যাচ দিয়েই যে আইপিএলে অভিষেক হয়েছে উত্তর প্রদেশের এই ক্রিকেটার।
লখনৌ সুপার জায়ান্টস ছুঁড়ে দিয়েছিল ২১০ রানের টার্গেট। আশুতোষ শর্মার দুর্দান্ত এক ইনিংসে সেই লক্ষ্য ১ উইকেট আর ৩ বল হাতে রেখে পার হয়ে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। ৩১ বলে ৬৬ রানের সেই ঝোড়ো গতির ইনিংস নিয়েই চলছে যত আলোচনা।
তবে ভিপরাজ নিগামের ইনিংসের মাহাত্ম্যটাও কম নয়। ১১৩ রানে ৬ উইকেট পতনের পর ভিপরাজই সঙ্গ দিয়েছিলেন আশুতোষকে। খেলেছেন ১৫ বলে ৩৯ রানের ইনিংস। স্ট্রাইকরেট ছিল ২৬০। আর সেটাই গড়েছে আইপিএল ইতিহাসের নতুন রেকর্ড। আইপিএল অভিষেকে কমপক্ষে ১০ বল খেলেছেন এমন ইনিংসে এটাই সর্বোচ্চ স্ট্রাইকরেট।
আইপিএল অভিষেকে সর্বোচ্চ স্ট্রাইকরেট (কমপক্ষে ১০ বল)
২৬০ - ভিপরাজ নিগাম, প্রতিপক্ষ- লখনৌ সুপার জায়ান্টস (২০২৫)
২৪৭ - রাচীন রবীন্দ্র , প্রতিপক্ষ- রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (২০২৪)
২৪৬ - সুরেশ রায়না, প্রতিপক্ষ - পাঞ্জাব কিংস (২০০৮)
আইপিএলে নিজের প্রথম ইনিংসে প্রথম ১০ বলে ২৯ রান করেছিলেন ভিপরাজ। প্রথম ইনিংসেই ১০ বলে এরচেয়ে বেশি রান আছে কেবল অভিষেক শর্মার। বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে নিজের প্রথম ম্যাচে অভিষেক শর্মা ১০ বলে করেছিলেন ৩০ রান।
শেষ পর্যন্ত ৫ চার ও ২ ছক্কায় ১৫ বলে ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন ২০ বছর বয়সী লেগ স্পিনার। আশুতোষের সঙ্গে তার জুটি ছিল ২২ বলে ৫৫ রানের।
দিল্লির জয়ের নায়ক আশুতোষ । ‘ইমপ্যাক্ট বদলি’ হিসেবে সাত নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫টি করে ছক্কা ও চারে ৩১ বলে ৬৬ রানের অপরাজিত ইনিংস আসে তার ব্যাট থেকে। শুরুতে অবশ্য আশুতোষের রান ছিল ২০ বলে ২০। অবিশ্বাস্যভাবে পরের ১১ বলে ৪৬ রান করে দিল্লিকে ১ উইকেটের জয় এনে দেন তিনি।
এসএন