এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানে দুইটি মূল পক্ষ ছিল—একটি রাজনৈতিক দল এবং অন্যটি ছাত্রসমাজ। তাদের উভয়ের দাবিই যৌক্তিক। নির্বাচনের গুরুত্ব যেমন রয়েছে, তেমনি কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তাও কম নয়। তিনি আরো বলেন, তারা কখনোই চার বছরের সময়সীমা দাবি করেননি, বরং ঐকমত্যের ভিত্তিতে ছয় মাস বা দুই বছর—যতটুকু সময় প্রয়োজন, সেটি ঐকমত্যের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।
গতকাল শনিবার (৫ এপ্রিল) বিকেল ৫টায় লালমনিরহাটের পাটগ্রাম টিএন উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে সকালে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ এবং দুপুরে বুড়িমারী স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় দলের স্থানীয় নেতারা তার সঙ্গে ছিলেন।
ফুয়াদ বলেন, আমরা চাই একটি ঐকমত্যের ভিত্তিতে সরকার পরিচালিত হোক। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পর আমরা একজন গর্ব করার মতো সফল রাষ্ট্রনায়ক পেয়েছি। তার নেতৃত্বে এবং সম্মিলিত সিদ্ধান্তে দেশকে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া বা দক্ষিণ কোরিয়ার মতো উন্নত করা সম্ভব। তাহলে জুনিয়রদের কাছে কেন যাব?।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, ইনশাআল্লাহ, ঐকমত্য হবেই। গণঅভ্যুত্থান হয়েছে মানুষের মাঝে নতুন করে দেশ গঠনের আগ্রহ তৈরির জন্য। জাতি এই বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ। আলোচনা হলেই সমাধান হবেই।
আরএ