• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২০, ২১ চৈত্র ১৪২৬
ভেজাল সার চেনার উপায়

ভেজাল সার চেনার উপায়

আধুনিক কৃষি উৎপাদন প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক সার একটি অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ। ষাট দশকের শুরু থেকে রাসায়নিক সারের ব্যবহার শুরু হয়, যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়ে খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে, বর্তমানে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সারে ভেজাল দ্রব্য মিশিয়ে নকল বা ভেজাল সার তৈরি ও বিক্রি করছেন।

বিস্তারিত
নেপিয়ার ঘাসের চাষ পদ্ধতি

নেপিয়ার ঘাসের চাষ পদ্ধতি

গবাদিপশুর প্রধান খাদ্য ঘাস। পুষ্টিকর ঘাসে গবাদিপশুর দেহ গঠনকারী আমিষ উপাদানসহ প্রায় সব ধরনের উপাদান মজুদ থাকে। উন্নত জাতের অধিক ফলনশীল ঘাসের মধ্যে নেপিয়ার উল্লেখযোগ্য। খাদ্যমান বেশি থাকায় গবাদিপশুর জন্য এ ঘাস বেশ উপাদেয় ও পুষ্টিকর। চাষ পদ্ধতি ও গুণাগুণ সম্পর্কে কৃষক অবগত হলে এ ঘাসের চাষে তারা উৎসাহিত হবেন।

বিস্তারিত
যেভাবে চাষ করবেন ক্যাপসিকাম

যেভাবে চাষ করবেন ক্যাপসিকাম

ক্যাপসিকাম বা মিষ্টি মরিচ সারা বিশ্বেই একটি জনপ্রিয় সবজি। বাংলাদেশেও এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। ক্যাপসিকাম আমাদের দেশীয় প্রচলিত সবজি না হলেও ইদানীং এর চাষ প্রসারিত হচ্ছে। এই ক্যাপসিকাম অভিজাত হোটেলসহ বিভিন্ন বড় বড় মার্কেটে বিক্রি হয়ে থাকে। এছাড়া ক্যাপসিকাম বিদেশে রপ্তানির সম্ভাবনাও প্রচুর। কারণ, বিশ্বে টম্যাটোর পরেই দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ সবজি হচ্ছে ক্যাপসিকাম। এই সবজি দিয়ে ভিন্ন স্বাদের আচার তৈরি করা যায়।

বিস্তারিত
পুকুরে কোরাল মাছের চাষ

পুকুরে কোরাল মাছের চাষ

কোরাল বা ভেটকি মাছ। ছোট কিংবা বড়-আকৃতির- যেমনই হোক না কেন, স্বাদে-গন্ধে অতুলনীয়। ঝোল হোক কিংবা বারবিকিউ বা ভাজা, ফিশ সালাদ বা কাটলেট- ভেটকির স্বাদ জিবে লেগেই থাকে। তাই বোধ হয় এই মাছের কদর বেড়েই চলেছে রসনাবিলাসীদের কাছে। চ্যাপ্টা-লম্বা আকৃতির মাছটির দাম আকাশছোঁয়া। মজাদার এই মাছ পাওয়া যায় কেবল দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকার সাগরসংলগ্ন নদ-নদীর মতো জলাশয়গুলোতে।

বিস্তারিত
গুটি ইউরিয়ার সঠিক ব্যবহার

গুটি ইউরিয়ার সঠিক ব্যবহার

গুটি ইউরিয়া হলো নাইট্রোজেন সংবলিত একটি রাসায়নিক সার। দেখতে অনেকটা ন্যাপথলিনের মতো। এটি কোনো নতুন সার নয়, গুঁড়া ইউরিয়া সারেরই রূপান্তর। বর্তমানে আমাদের দেশে দুই সাইজের গুটি ইউরিয়া তৈরি করা হয়। আউশ ও আমন মৌসুমের জন্য ১.৮ গ্রাম এবং বোরো মৌসুমের জন্য ২.৭ গ্রাম ওজনের গুটি। গুটি ইউরিয়া বাজারে প্রচলিত গুঁড়া ইউরিয়ার তুলনায় বেশি লাভজনক।

বিস্তারিত
কুইক কম্পোস্ট সারের প্রস্তুত প্রণালি

কুইক কম্পোস্ট সারের প্রস্তুত প্রণালি

মাটির স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য জৈব পদার্থের প্রয়োজন। কারণ, জৈব পদার্থ হলো- মাটির প্রাণ বা হৃদপিণ্ড। কুইক কম্পোস্ট হলো- এমন একটি জৈব সার, যা স্বল্প সময়ে তৈরি করা যায় এবং এর মধ্যে গাছের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানও বেশি থাকে। প্রতি একশ' কেজি কুইক কম্পোস্টে ২.৫৬% নাইট্রোজেন, ০.৯৮% ফসফরাস, ০.৭৫% পটাশিয়াম পাওয়া যায়। তাছাড়া পরিমিত মাত্রায় ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামসহ অন্যান্য গৌণ পুষ্টি উপাদানও রয়েছে।

বিস্তারিত
দেশি ট্যাংরার চাষ পদ্ধতি

দেশি ট্যাংরার চাষ পদ্ধতি

দেশি ট্যাংরা মাছ খুবই সুস্বাদু ও পুষ্টিসমৃদ্ধ। কাঁটা কম থাকায় এটি সবার প্রিয়। দেশে পুকুর, খাল-বিল, ডোবার সংখ্যা কমে যাওয়ায় দেশি ট্যাংরা প্রায় বিলুপ্তির পথে চলে গিয়েছিল। বাজারে কালেভদ্রে অল্পস্বল্প মিললেও দাম বেশ চড়া। কিন্তু হারানো ট্যাংরা মাছের প্রজাতিকে আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

বিস্তারিত
মুরগির হিটস্ট্রোকের কারণ ও প্রতিকার

মুরগির হিটস্ট্রোকের কারণ ও প্রতিকার

তীব্র গরমে লেয়ার ও ব্রয়লারের শরীরে রক্ত চলাচল বেডে যায়। এতে করে মুরগির হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়। আর হৃদস্পন্দন বেড়ে গেলে অনেক সময় রক্ত জমাট বাঁধে এবং এই জমাট বাঁধা রক্তের কারণে মুরগি স্ট্রোক করে। এই সময় সচেতন না হলে এবং সঠিক যত্ন না নিলে হিটস্ট্রোকে মুরগি মারা যাওয়ার আশংকা অনেক বেশি। তাই হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

বিস্তারিত
গো-খাদ্য হিসেবে এ্যালজি চাষ

গো-খাদ্য হিসেবে এ্যালজি চাষ

এ্যালজি দেখতে শ্যাওলার মত। এটা এক ধরনের উদ্ভিদ, যা আকারে এক কোষী হতে বহু কোষী বিশাল বৃক্ষের ন্যায় হতে পারে। এটি কৃত্রিমভাবে পানিতে চাষ করা হয়। ক্লোরেলা ও সিনডেসমাস নামক দু’বিশেষ প্রজাতির এ্যালজি সাধারণত গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এ্যালজি পানি ব্যবহার করে কম খরচে গরুর মাংস এবং দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব।

বিস্তারিত
গাঁদা ফুল চাষ পদ্ধতি

গাঁদা ফুল চাষ পদ্ধতি

শীতকালীন ফুলগুলির মধ্যে গাঁদা অন্যতম। বিবাহ, জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী, গৃহসজ্জা, বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, শহীদ দিবসসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গাঁদা ফুলের বিকল্প নেই। কেটে যাওয়া ত্বকের রক্ত পড়া বন্ধ করতে, কাটা ঘা শুকাতে ও জীবাণুনাশক হিসেবে গাঁদা পাতার রস খুব উপকারী। ফলে এই ফুলের চাহিদা সারা বছর ব্যাপী। অনেকেই এখন এ ফুল বাণিজ্যিকভাবে চাষের মাধ্যমে লাভবান হচ্ছেন। গাঁদা ফুলে বহু প্রজাতি থাকলেও বাংলাদেশে সাদা, জাম্বো ও রক্ত বা চাইনিজ গাঁদার চাষ হয়ে থাকে।

বিস্তারিত