• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

কিশোর মুয়াবিয়া: যার কারণে সিরিয়া যুদ্ধের শুরু

কিশোর মুয়াবিয়া: যার কারণে সিরিয়া যুদ্ধের শুরু

ফিচার ডেস্ক২১ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৯:৪৩এএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদের নির্মম ও নিষ্ঠুর দুঃশাসনে অতিষ্ট সিরিয়ার জনগণ। তাদের বুকে তীব্র যন্ত্রণা, মনে চাপা ক্ষোভ। প্রকাশ্যে তার বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে না কেউ। যেই প্রতিবাদ করতে গেছে, সেই তার হিংস্র থাবায় নিঃশেষ হয়েছে। কিন্তু এভাবে আর কত দিন?

২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি মাস। ছেলেটির নাম মুয়াবিয়া সিয়াসেহে। তখন তার বয়স মাত্র ১৪ বছর। সিরিয়ার দারা শহরে সে বাস করত। একদিন সে ও তার বন্ধুরা মিলে স্থানীয় একটি স্কুলের দেয়ালে আসাদ সরকারবিরোধী স্লোগান লিখে ছড়িয়ে দেয়। এটা ছিল তার নিছক মনের চাপা ক্ষোভের একটি বহিঃপ্রকাশ। তখন সে কল্পনাও করতে পারেনি যে, তার এই একটি ছোটখাটো কাজ, একটি পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে দেবে।

সম্প্রতি আল-জাজিরার একটি ডকুমেন্টারি ফিল্মে সেই কিশোরের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে দেখা গেছে যে, কিশোর মুয়াবিয়ার সেই ছোট উদ্যোগ থেকে ধীরে ধীরে আসাদবিরোধী প্রতিবাদ-বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়তে থাকে। আর সে বিক্ষোভ থেকেই একপর্যায়ে গৃহযুদ্ধের সূচনা হয়। যে গৃহ যুদ্ধ আজও অব্যাহত রয়েছে। আর কেউ এটাও জানেনা যে এর শেষ কোথায়?

তখন মধ্যপ্রাচ্যে আরব বসন্তের জোয়ার বইছে। স্বৈরতন্ত্রের অবসান ও গণতন্ত্রের দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে তিউনিসিয়া, মিশর, লিবিয়া, ইয়মেন। এক সময় সে জোয়ারের ঢেউ লাগে সিরিয়ায়। সেদিন মুয়াবিয়া ও তার সঙ্গে এ কাজে সহযোগিতাকারী আরও তিনজন বন্ধু ছিল। তারা স্থানীয় একটি স্কুলের দেয়ালে আরবিতে লিখে- ‘It’s your turn, Doctor (Basher al-Assad).’

তারা জানায়, সেদিন কোন যুদ্ধ কিংবা আন্দোলন সংগ্রামের অংশ হিসেবে তারা এটা লিখেনি। কারণ সে সময় আসাদ সরকারের সম্পর্কে তাদের ভাল ধারণাও ছিল না। তারা তখনও জানত না যে, দশকের পর দশক বিরোধী মতাবলম্বীদের নির্মমভাবে নির্যাতন, গুম ও বিচারবহির্ভুতভাবে হত্যা করে আসছে আসাদ সরকারের গোপন পুলিশ বাহিনী। অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যার ভয়ে দশকের পর দশক তাদের মা-বোনেরা রাস্তা-ঘাটে একা বের হতে পারে না। সেই সময় তারা টিভিতে আরব বসন্তের সংবাদগুলো দেখে।

আর কৌতূহল থেকেই তারা স্কুলের দেয়ালে আসাদের বিরুদ্ধে এই শ্লোগানটি লিখে। পরে পুলিশ মুয়াবিয়াসহ ২৩ জন কিশোরকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। ৪৫ দিন তারা আটক ছিল। তাদের প্রতি অত্যন্ত নির্মমভাবে অত্যাচার-নির্যাতন চালানো হয়। তাদের মুক্তির দাবিতে সেদিন হাজার হাজার লোক দারা শহরের রাস্তায় নেমে আসে। পুলিশের গুলিতে কয়েকজন মারা যায়। একপর্যায়ে প্রতিবাদের স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র সিরিয়ায়। সেই থেকে যুদ্ধ শুরু। দীর্ঘ সাত বছর হতে চলেছে।আজও সে যুদ্ধ থামে নি।

২০১১ সাল থেকে চলা এই গৃহযুদ্ধে ইতোমধ্যে ৬-৭ লাখ লোক মারা গেছে। প্রায় ৭৬ লাখ লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ৫১ লাখ লোক শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছে, যার অর্ধেকই শিশু। ৭ লাখ লোক এখনও অবরুদ্ধ হয়ে আছে। ৩ লাখের চেয়েও বেশি শিশু শরণার্থী হিসেবে জন্ম নিয়েছে। ২০ লাখেরও বেশি শিশু এখনও কোনো মানবিক সহায়তা পাচ্ছে না।

কিশোর মুয়াবিয়া আজ তরুণ। সে নিজেও আজ ‘ফ্রি সিরিয়ান আর্মির’ একজন যোদ্ধা হিসেবে আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। অথচ একসময় সে আইএসআইএল, আল-নুসরা কিংবা অন্য কোন সন্ত্রাসী দলের সদস্য ছিল না। সে ভয়াবহ যুদ্ধের কারণে আজ তার প্রিয় দারা শহরের রাস্তা-ঘাট, ঘর-বাড়ি তছনছ হয়ে গেছে। চরম মূল্য দিতে হয়েছে তার পরিবারকে।

২০১৩ সালে বিমান হামলায় সে তার বাবাকে হারিয়েছে। এক সাক্ষাতকারে সে আল-জাজিরাকে জানিয়েছে, এ ভয়াবহ যুদ্ধের কথা সে
কল্পনাও করেনি। আর লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু এবং এই ভয়াবহ পরিণতির জন্য সে অনুতপ্ত। তারা এটা কখনও চায়নি। এরকম পরিণতি ঘটবে জানলে সে কখনো এটা লিখত না। সেই লিখাটা ছিল তার একটা মারাত্মক ভুল। এখন তাদের একটাই চাওয়া, সিরিয়ায় পরিবর্তন ও শান্তি।

 

টাইমস/এএইচ/জিএস

চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের নেতা শোয়েব রিগানকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার রাতে শহরের রাহেলা খাতুন গার্লস একাডেমির পার্শ্ববর্তী রাস্তায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। রাতেই তাকে চুয়াডাঙ্গা থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়। শোয়েব শহরের মাঝেরপাড়ার আজম আলীর ছেলে।

তিতাসে ১৩ দিনে ৬৮০ কর্মকর্তা-কর্মচারী বদলি

তিতাসে ১৩ দিনে ৬৮০ কর্মকর্তা-কর্মচারী বদলি

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড ১৩ দিনে ৮১ প্রকৌশলীসহ ৬৮০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বদলি করেছে। এরমধ্যে সিবিএ নেতা ও কর্মচারী ৫০৭ জন। বৃহস্পতিবারই বদলি করা হয়েছে প্রকৌশলীসহ ১১৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে।

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এবার সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এবার সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা

দেশের পাঁচটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কৃষি সংশ্লিষ্ট দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তিতে এবার সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ বছর বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এই প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দেবে।

উক্তি প্রতিদিন

“মরিতে না হইলে বাঁচিয়া থাকিবার কোনো মর্যাদাই থাকিত না”

“মরিতে না হইলে বাঁচিয়া থাকিবার কোনো মর্যাদাই থাকিত না”

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ৭ মে ১৮৬১, বাংলা ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ সালে ভারতের কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। একাধারে তিনি ছিলেন কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোট গল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা ও দার্শনিক।

জাতীয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মধ্যরাতে সড়কে প্রাণ গেল দু'জনের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মধ্যরাতে সড়কে প্রাণ গেল দু'জনের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দু'জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড ও সদর উপজেলার সুলতানপুরের রাধিকা এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

জাতীয়

বর ও কনেপক্ষের সংঘর্ষে বিয়ে পণ্ড

বর ও কনেপক্ষের সংঘর্ষে বিয়ে পণ্ড

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বিয়ে বাড়িতে বর ও কনেপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে বরসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।

জাতীয়

‘আমরা সমস্ত জলাশয় আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনব’

‘আমরা সমস্ত জলাশয় আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনব’

বাড়ির আশপাশের ডোবা, পুকুর ও জলাশয়কে ফেলে না রেখে মাছ চাষ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা খাদ্যের চাহিদা পূরণ করেছি। এখন দৃষ্টি পুষ্টির দিকে। বিল, ঝিল, হাওর, বাওড়, নদী নালায় পরিকল্পিতভাবে মাছ চাষ করতে হবে। মাছের চাইতে এত নিরাপদ আমিষ আর নেই।

জাতীয়

ধর্ষণ মামলা ছয় মাসে নিষ্পত্তিসহ হাইকোর্টের ৭ দফা নির্দেশনা

ধর্ষণ মামলা ছয় মাসে নিষ্পত্তিসহ হাইকোর্টের ৭ দফা নির্দেশনা

ধর্ষণ ও ধর্ষণ পরবর্তী হত্যা মামলা ৬ মাসের মধ্যে শেষ করা, শুনানি শুরু হলে প্রতি কার্যদিবসে টানা মামলা পরিচালনা করা, মামলায় সাক্ষীর উপস্থিতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিষয়ে সাত দফা নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিনোদন

নতুন সিনেমায় জেনিফার

নতুন সিনেমায় জেনিফার

জেনিফার লোপেজ। হলিউডে গানে তার আধিপত্য। তবে এবার গানে নয় সিনেমায় সরব এই গায়িকা। এই মুহূর্তে তার হাতে আছে নতুন সিনেমা ‘ম্যারি মি’। নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে রোমান্টিক-কমেডি কাহিনিতে অভিনয় করবেন এ পপ ডিভা।