এই বিপিএলে দ্রুততম ফিফটিটি ছিল রংপুর রাইডার্সের কাইলে মেয়ার্সের, ২৩ বলে অর্ধশত রানের অঙ্কে পৌঁছেছিলেন তিনি। সেটা এখন নাসিরের দখলে। রহমানউল্লাহ গুরবাজ আউট হলে এই অলরাউন্ডার প্রমোশন নিয়ে ওয়ানডাউনে নেমেছিলেন। ৫০ বলের ইনিংসটিকে তিনি সাজান ১৪ চার ও ২ ছয়ের মারে।
তাকে ১২ রান করে ইরফান শুক্কুর ও ২৯ রান করে ইমাদ ওয়াসিম সঙ্গ দেন। ১৬ বলে ইমাদের ইনিংসটি ২ চার ও এক ছয়ের। নোয়াখালীদের বোলারদের মধ্যে হাসান মাহমুদ ২ ও জহির খান একটি উইকেট নেন।
নোয়াখালী ১৩৩ রান করেছিল দুই বিদেশির ব্যাটে। আগের ম্যাচে ৬১ রানে অলআউট হওয়া দলটি এদিনও ১০০'র নিচে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়েছিল। দশম ওভারে পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে মাআজ সাদাকাত যখন আউট হন, নোয়াখালীর স্কোরকার্ডে যোগ হয় মোটে ৪০ রান। দুই ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ও সৌম্য সরকার আউট হন যথাক্রমে ৬ ও ১ রানে।
এছাড়া মুনিম শাহরিয়ার ২ ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন আউট হন ৪ রান করে। ওপরের পাঁচ ব্যাটারের মধ্যে সাদাকাত ১৯ বলে সর্বোচ্চ ২৪ রান করেন। নোয়াখালীকে সম্মানজনক স্কোর এনে দেন মোহাম্মদ নবি ও অধিনায়ক হায়দার আলী। ষষ্ঠ উইকেটে তারা ৬১ বলে ৯০ রান যোগ করেন।
শেষ ওভারে আউট হওয়ার আগে হায়দার ৩৬ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৪৭ রান করেন। নবি শেষ পর্যন্ত ৩৩ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় ৪২ রানে অপরাজিত থাকেন। ঢাকা ক্যাপিটালসের পক্ষে বল করা প্রত্যেক বোলার ১টি করে উইকেট শিকার করেন। তবে ৪ ওভারে ১৬ রান দেয়া ইমাদই ছিলেন সবচেয়ে সাশ্রয়ী।
এসকে/টিএ